• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
Headline
ফানুস ওড়ানোয় বিশেষ নজরদারি, বৌদ্ধদের দুই উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে খুলনায় এবার ৮১৮টি মন্দিরে পূজা-অর্চনার আয়োজন ব্যালন ডি’অরে নতুন ভোটে মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো! ইমরান-পুত্রদের সাক্ষাৎকারের জের, ধারাভাষ্য থেকে বাদ ইংল্যান্ডের দুই কিংবদন্তি! এমিলিয়ানো মার্টিনেজের শারীরিক অবস্থার উন্নতির খবরে স্বস্তি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পূজার উপহার দিলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী- ডিএসসিসি প্রশাসক আবারও গ্রেপ্তার ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা সরকারি চাকরিজীবীরা এ মাসেই বাড়তি বেতন পাবেন, আগের হারে ভাতা দেয়া হবে চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করা কঠিন : ইসি মাছউদ বাংলাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রথমে প্রার্থনা করতে বলেন, পেছন থেকে আঘাত করেন ওমানি কো-পাইলট

Reporter Name / ৬৫ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন আমিরাত থেকে ইসরায়েলগামী বিমানের আহত ক্যাপ্টেন পাইলট স্মিত মাচ্ছাড়। তিনি নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন, তার কো-পাইলট প্রথমে তাকে প্রার্থনা করতে বলেন। এরপর তিনি পেছন থেকে সজোরে আঘাত করা শুরু করেন। শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন, বিমান হয়ত বড় ধরনের কোনো ঝাঁকুনি খেয়েছে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন। কিন্তু পরক্ষণেই দেখতে পান তার কো-পাইলট একের পর এক আঘাত করে যাচ্ছেন।
গত বুধবার আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবে যাচ্ছিল ফ্লাই দুবাইয়ের ওই বিমানটি। যেটির বেশিরভাগ যাত্রী ইসরায়েলি ছিলেন। শনিবার এক ফোনকলে নেতানিয়াহুকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছাড় বলেন, “কো-পাইলট আমাকে প্রার্থনা করতে বলেন। এরপর চার থেকে পাঁচ মিনিট পর প্রচণ্ড জোরে মাথার পেছনে একটি আঘাত করা হয়। প্রথমে ভেবেছিলাম বিমানে হয়ত বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু এরপর আঘাত আসতেই থাকে, একটার পর আরেকটা। তখন আমি বুঝতে পারি ককপিটে থাকা আমার কো-পাইলট আমার মাথায় আঘাত করছেন।” সংবাদমাধ্যম সিএনএন ওই কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করে। তার নাম হামাম আল-হামামি।
ওমানি নাগরিক হামাম ভারতীয় পাইলট স্মিতকে ককপিটে রাখা কুড়াল দিয়ে আঘাত করেন। বিমানে পাইলটকের কাছে এমন কুড়াল থাকে যেন কোনো জরুরি পরিস্থিতির তৈরি হলে তারা জানালা বা বিমানের অংশ ভাঙতে পারেন। আগে এমন কুড়াল যাত্রীদের বসার স্থান বা কেবিনেই থাকত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে টুইন টাওয়ার হামলার পর সেগুলো পাইলটদের ককপিটে নিয়ে যাওয়া হয়।
স্মিত আরও জানিয়েছেন, আঘাতের পর যখন তিনি পড়ে যান তখন দরজা খোলার চেষ্টা করেন। তিনি বলেছেন, ককপিটের দরজা ভেতর থেকে লক খুলে খোলা যায়। কিন্তু বাইরে থেকে খোলার জন্য কোড লাগে। বিমানের অন্য ক্রুরা কোড দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করলেও কো-পাইলট সেটি আটকে দিচ্ছিলেন। এরপর নিজের সর্বশক্তি দিয়ে ভেতর থেকে লক খুলে দেন। তখন অন্যান্য যাত্রীরা ভেতরে ঢুকে কো-পাইলটকে নিবৃত করেন।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category