• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের কাজ শুরু: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ শ্রমিক নিতে চায় সৌদি আরব নিরাপদ-কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে একমত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বেশি গুরুত্ব দেয় সরকারি অফিসে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কোনো সুযোগ নেই- পানিসম্পদ মন্ত্রী গ্যাসের অভাবে উৎপাদন কম, ছুটি বাড়িয়েছে কিছু কারখানা

‘প্লেব্যাক সম্রাট’ এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর দিন আজ

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন : কত গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনি? উত্তরটা নিজেও অবশ্য জানতেন না। তবে অনেকের মতে, সংখ্যাটা ১৫ হাজারের কম নয়! এর মধ্যে জনপ্রিয় গান কতগুলো? সেটার সংখ্যাও এত যে, অনেক শিল্পীর গোটা ক্যারিয়ারেও তত গান নেই। এমন নানা কারণেই তাকে বলা হয় ‘প্লেব্যাক সম্রাট’।
সোমবার (৬ জুলাই) সেই কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর দিন। ২০২০ সালের এ দিনে কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে চিরতরে পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। তবে এ দিনে সিনেমা কিংবা সংগীত পাড়ায় তাকে নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো আয়োজনের খবর পাওয়া যায়নি। অবশ্য বরাবরের মতই তার জন্মস্থান রাজশাহীতে স্মরণসভার আয়োজন করছে জেলা প্রেসক্লাব ও আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ।
এন্ড্রু কিশোরের জন্ম ১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর, রাজশাহীতে। মা ছিলেন সংগীতানুরাগী, কিশোর কুমারের গান পছন্দ করতেন। সে কারণে পুত্রের নামও রাখেন ‘কিশোর’। আর মায়ের ইচ্ছেতেই তিনি আসেন গানে। স্বাধীনতার পরই তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুল, রবীন্দ্র, লোক ও দেশাত্মবোধক সংগীতে তালিকাভূক্ত হন।
এন্ড্রু কিশোর মূলত চলচ্চিত্রের অদ্বিতীয় গায়ক। তার এই অপ্রতিদ্বন্দ্বী পথচলার শুরুটা ১৯৭৭ সালে, ‘মেইল ট্রেন’ ছবির মাধ্যমে। এতে আলম খানের সুরে গেয়েছিলেন ‘অচিনপুরের রাজকুমারী’। তবে এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠ শ্রোতাদের মনে জায়গা পায় ১৯৭৯ সালের ছবি ‘প্রতীজ্ঞা’র গান ‘এক চোর যায় চলে’ দিয়ে। এরপর একে একে তার ক্যারিয়ারে যুক্ত হতে থাকে শ্রোতানন্দিত সব গান।
তার গাওয়া কালজয়ী গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো ‘হায় রে মানুষ রঙিন ফানুশ’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যেখানে’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘পদ্ম পাতার পানি নয়’ ইত্যাদি।
অনবদ্য গায়কীর সুবাদে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী হিসেবে আটবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পাঁচবার পেয়েছেন বাচসাস পুরস্কার। ২০২৪-এ তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে রাষ্ট্র।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category