• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
Headline
হোমনায় রামকৃষ্ণপুর ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভুল বুঝতে পেরে ছেলে বললেন, ‘মাকে এক দিনের জন্যও দূরে থাকপ্যার দেব না’ নীলফামারীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি সুন্দরবনের ডাকাত বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ৪ জেলে উদ্ধার ফতুল্লার ১৫ মামলার আসামি ‘কোবরা গ্রুপের’ প্রধান গ্রপ্তার ফরিদপুরের সদরপুরে পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে চুল কেটে নির্যাতন মা ইলিশ রক্ষায় রাজবাড়ীতে অভিযান, কারেন্ট জালসহ আটক ৭ ময়মনসিংহে বিজিবির ওপর চোরাকারবারিদের হামলা, গুলিতে নিহত ১ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা আলোচনা না হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে গণ-অনশন, দাবি চুক্তি বাতিল

ফতুল্লার ১৫ মামলার আসামি ‘কোবরা গ্রুপের’ প্রধান গ্রপ্তার

Reporter Name / ৬ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলোচিত ‘কোবরা গ্রুপ’ বা ‘সোহেল গ্রুপের’ প্রধান হিসেবে পরিচিত সোহেল খন্দকারকে বিদেশি রিভলবার, গুলি ও হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৫টির বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি-১১-এর আদমজীনগর কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাহিনীটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
এরআগে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার মিশনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, পাঁচ রাউন্ড গুলি, ৭০ পুরিয়া হেরোইন (মোট ১০ গ্রাম) এবং একটি পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১১।
এসআরবি-১১-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোহেল খন্দকার দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লার কাঠেরপুল, শিবু মার্কেট, লামাপাড়া ও আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কাঠেরপুলসংলগ্ন এলাকাকে কেন্দ্র করে তিনি মাদক কারবারের একাধিক আস্তানা পরিচালনা করতেন বলেও দাবি বাহিনীটির।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদকের লেনদেন ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকায় আধিপত্য ধরে রাখতে তিনি কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
এসআরবি-১১-এর দাবি, এসব গ্রুপের সদস্যদের হাতে অস্ত্র ও মাদক তুলে দিয়ে এলাকায় মহড়া দেওয়া হতো। অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার পাশাপাশি স্থানীয় পোশাক কারখানা, ব্যবসায়ী ও ঝুট গোডাউনের মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করা হতো। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, গোডাউনে লুটপাট এবং ঝুট লুটের মতো ঘটনা ঘটানো হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাহিনীটির ভাষ্য, সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যা চেষ্টার মামলাতেও তিনি আসামি বলে জানানো হয়েছে। এর আগে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তেন বলে দাবি এসআরবি-১১-এর।
বাহিনীটি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে সদর থানার মিশনপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সোহেল খন্দকারকে গ্রেপ্তারের পর তার হেফাজত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, হেরোইন ও পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category