প্রভাত রিপোর্ট: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেছেন, ভালো কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের প্রতি উৎসাহ ও দায়িত্ববোধ আরও বাড়বে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘সম্মাননা ও ইনসিগনিয়া প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সারা দেশে অপারেশনাল কাজে বিশেষ সাহসিকতা প্রদর্শনকারী বাছাই করা ৪০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ‘মহাপরিচালকের প্রশংসা’ প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে অপারেশনাল ও প্রশাসনিক কাজের নির্ধারিত বিভিন্ন মানদণ্ডে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত ২৮টি শ্রেষ্ঠ ফায়ার স্টেশনের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত ১৪ জন ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টরকে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন মহাপরিচালক।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)। এরপর মহাপরিচালক নির্বাচিত ৪০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতে ‘মহাপরিচালকের প্রশংসা’ লেখা ইনসিগনিয়া, সনদপত্র ও অর্থ সম্মাননা তুলে দেন। ২৮টি শ্রেষ্ঠ ফায়ার স্টেশনের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। এর মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচটি করে এবং অন্যান্য বিভাগের তিনটি করে ফায়ার স্টেশন পুরস্কার পেয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মহাপরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে প্রত্যেক বিভাগে কমিটি গঠনের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ ফায়ার স্টেশন বাছাই করা হয়। এ ক্ষেত্রে পাম্প ড্রিল, ডেলিভারি হোজ লে-আউট, ফায়ারফাইটিং স্যুট ও বিএ সেট পরিধান, কুইক ড্রেস, উদ্ধারকারী যন্ত্রপাতি চালনায় দক্ষতা, লেডার ক্লাইম্বিংসহ বিভিন্ন ব্যবহারিক দক্ষতা বিবেচনা করা হয়।
এছাড়া সম্মিলিত ড্রিল, বিভিন্ন রেজিস্টার যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, মহা-পরিচালকের নির্দেশনা রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তি, দৈনন্দিন কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, স্টেশনের জ্বালানির হিসাব, সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত গণসংযোগ ও টপোগ্রাফি, স্টেশনের শৃঙ্খলা, বদলি ও সংযুক্তির আদেশ যথাসময়ে কার্যকর, স্টেশন ও ব্যারাকের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জ্ঞানকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ মূল্যায়নের সময়কাল ছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্প পরিচালক, ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বিভাগের উপ-পরিচালকসহ ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।