• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
Headline
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি : জহির উদ্দিন স্বপন ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দেয়া সিমে তিন দিনে ২ কোটি লেনদেন, যুবক গ্রেফতার পোশাকশিল্পের চলমান সংকট নিরসনে জামায়াতের ১৫ দাবি বিগত সরকারের প্রত্যেকটা অন্যায়ের বিচার এই মাটিতেই হবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশে সারের সংকট নেই: কৃষিমন্ত্রী শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন ১২৫০০ টাকা বিদ্যুৎবিল দাবি রাজধানীর হোম ইকোনমিক্স অধ্যক্ষের, পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন রোনালদো দুই দশক পর সরকার প্রধান বাগেরহাটে, নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস পরীক্ষা দিতে বেরিয়ে নিখোঁজ যুথি, দুইদিন পর বাড়ির পাশেই মিলল মরদেহ
আয়ের ৯০ শতাংশ বিলিয়ে দিতেন, কাটাতেন সাদাসিধে জীবন

মারা গেছেন বলিউডের শক্তিশালী অভিনেতা নানা পাটেকর

Reporter Name / ৩৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন: বলিউডের শক্তিশালী অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে দ্য ইকোনমিক টাইমস, নবভারত টাইমস ও লাইভমিন্ট এ খবর প্রকাশ করে। এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস, টাইমস অব ইন্ডিয়াতেও এ খবর এসেছে।
দ্য ইকোনমিক টাইমস এএনআইয়ের বরাতে মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক শেখর সালকারের বক্তব্য প্রকাশ করেছে। ওই চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রায় ৪৫ মিনিট নানা পাটেকরকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁকে ক্রমাগত সিপিআর দেওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় একটি মেডিকো-লিগ্যাল কেস (এমএলসি) নথিভুক্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত করা হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এনডিটিভির খবর বলছে, গোয়ায় নিজ বাসভবনে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হয় নানা পাটেকরকে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
তবে ভারতীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, গোয়ার ডোনা পাউলায় নিজ বাসভবনে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় নানা পাটেকরকে। পরে তাঁকে দ্রুত স্থানীয় মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে অভিনেতাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানানো হয়, নানা পাটেকরের ছেলে মালহার পাটেকর বাবা মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রে জন্ম নানা পাটেকরের। তাঁর প্রকৃত নাম বিশ্বনাথ পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে কয়েক দশকের অভিনয়জীবনে স্বতন্ত্র অভিনয়ভঙ্গি ও সংলাপ বলার ধরনের জন্য বিশেষ পরিচিতি পান তিনি।
‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অব তক ছাপ্পান’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘ওয়েলকাম’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন নানা পাটেকর। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ২০১৩ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে।
মাত্র ৩৫ টাকা মাসিক আয়। সঙ্গে দিনে একবেলা খাবার। জীবিকার তাগিদে কিশোর বয়সেই সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। কলেজে পড়ার সময় রাস্তায় জেব্রা ক্রসিং এঁকেও উপার্জন করেছেন। সেই কিশোরই একদিন হয়ে ওঠেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা। খ্যাতি, অর্থ, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার—সবই পেয়েছেন। কিন্তু ভুলে যাননি অভাবের দিনগুলোর কথা। তাই পর্দার বাইরেও গড়ে তুলেছিলেন অন্য এক পরিচয়। মহারাষ্ট্রের অসহায় কৃষক ও তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে হয়ে উঠেছিলেন বহু মানুষের ভরসা। তিনি নানা পাটেকর।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন নানা পাটেকর। গোয়ার বাসভবনে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, অভিনেতার ছেলে মালহার পাটেকর বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি গোয়ায় যাচ্ছেন এবং পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেবেন বলেও জানিয়েছেন। নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে স্মরণ করছেন অনেকে। ফিরে আসছে তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের দৃশ্য, জনপ্রিয় সংলাপ ও অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি। সেই সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় এসেছে পর্দার বাইরের মানুষটির জীবন। বিশেষ করে দরিদ্র কৃষকদের জন্য তাঁর দীর্ঘদিনের কাজ এবং সাধারণ জীবনযাপনের গল্প।
অভাবের সঙ্গে নানা পাটেকরের পরিচয় শৈশবেই। রিডার্স ডাইজেস্টে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সেই দিনগুলোর কথা বলেছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, মাত্র ১৩ বছর বয়সে মাসে ৩৫ টাকা ও একবেলা খাবারের বিনিময়ে সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। কলেজে পড়ার সময় জেব্রা ক্রসিং এঁকে পেতেন ১৫ টাকা। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে ছোটবেলা থেকেই তাঁকে উপার্জনের পথ খুঁজতে হয়েছে। সেই সাক্ষাৎকারে নানা বলেছিলেন, নিজের এই অভিজ্ঞতার কারণেই বঞ্চিত মানুষের কষ্টের সঙ্গে সহজে একাত্ম হতে পারেন তিনি। অন্যের যন্ত্রণা যেন নিজেরই মনে হয়।
সেই কঠিন দিনগুলো পেরিয়ে অভিনয়ে প্রতিষ্ঠা পান নানা পাটেকর। ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘অব তক ছাপ্পান’ কিংবা ‘ওয়েলকাম’; একেক ছবিতে একেক রূপে হাজির হয়েছেন দর্শকের সামনে। কখনো কঠোর পুলিশ কর্মকর্তা, কখনো প্রতিবাদী মানুষ, কখনো আবার হাস্যরসের চরিত্রে দর্শককে মাতিয়েছেন। সংলাপ বলার স্বতন্ত্র ভঙ্গি, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি আর অভিনয়ের তীব্রতা তাঁকে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়।
অথচ এত সাফল্যের পরও নিজের জীবনযাপনে বড় পরিবর্তন আনেননি। মুম্বাইয়ের সাধারণ অ্যাপার্টমেন্টে থাকার পাশাপাশি গ্রামের বাড়িতে সময় কাটাতে ভালোবাসতেন। দামি পোশাক, বিলাসবহুল বাড়ি কিংবা তারকাসুলভ জাঁকজমকের চেয়ে সাধারণ জীবনই ছিল তাঁর বেশি পছন্দের। ২০১৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে নানা জানিয়েছিলেন, তাঁর চাহিদা খুবই সীমিত। দামি গাড়ি কেনার পেছনে এক কোটি রুপি খরচ করার চেয়ে সেই অর্থ দিয়ে কোনো কৃষকের মুখে হাসি ফোটানো তাঁর কাছে বেশি অর্থবহ।
২০১৬ সালে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নিজের আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ দাতব্য কাজে ব্যয় করতেন নানা পাটেকর। যদিও তাঁর আয় ও অনুদানের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক হিসাব প্রকাশ্যে পাওয়া যায় না। তবে অসহায় কৃষকদের জন্য তাঁর সরাসরি অর্থসহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের তথ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নথিতে রয়েছে।
২০১৫ সালে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ খরা দেখা দেয়। ফসলহানি, ঋণের বোঝা আর আর্থিক সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন অসংখ্য কৃষক। একের পর এক কৃষকের আত্মহত্যার খবর আসতে থাকে। এসব ঘটনা গভীরভাবে নাড়া দেয় নানা পাটেকরকে। তিনি নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারগুলোর কাছে যেতে শুরু করেন।
বিদর্ভ অঞ্চলে আত্মহত্যা করা কৃষকদের ৬২টি পরিবারকে ১৫ হাজার রুপি করে অর্থসহায়তা দেন তিনি। পরে লাতুর ও ওসমানাবাদ অঞ্চলের আরও ১১৩টি পরিবারকে একইভাবে সহায়তা করেন। শুধু অর্থ পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি; অনেক পরিবারের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেছেন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনেছেন।
কিন্তু কৃষক পরিবারগুলোর কাছে গিয়ে নানা বুঝতে পারেন, এককালীন অর্থসহায়তা দিয়ে তাঁদের সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ। সেই ভাবনা থেকেই মারাঠি অভিনেতা মকরন্দ অনাসপুরের সঙ্গে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাম ফাউন্ডেশন’।
প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, খরাপীড়িত কৃষকদের সহায়তা, পানির সংকট মোকাবিলা, জলাধার পুনরুদ্ধার ও গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করে সংগঠনটি। কৃষকদের আত্মহত্যা ও আর্থিক সংকটের মতো সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজাই ছিল উদ্যোগটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
২০১৬ সালে গভর্ন্যান্স নাউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নানা পাটেকর জানিয়েছিলেন, টেলিভিশনে এক কৃষকের আত্মহত্যার পর তাঁর পরিবারের দুর্দশার কথা দেখে তিনি সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেন। শুরুতে নিজের জমানো অর্থ থেকে সহায়তা দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করার পর উপলব্ধি করেন, তাঁদের পাশে দীর্ঘদিন থাকতে হবে। সেই উপলব্ধি থেকেই আরও বড় পরিসরে কাজ শুরু করেন।

২০১৮ সালে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়াকে নানা বলেছিলেন, কৃষকদের শুধু অর্থ দিলেই হয় না, তাঁদের মানসিক ও সামাজিক সমর্থনও প্রয়োজন। তাঁরা যেন বুঝতে পারেন, বিপদের দিনে একা নন। এই ভাবনা থেকে নাম ফাউন্ডেশন আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কৃষকদের মানসিক সংকট মোকাবিলায়ও কাজ শুরু করে।
২০২৫ সালের মে মাসে প্রকাশিত নবভারত টাইমসের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, নাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মহারাষ্ট্রে ২ হাজার ৬৪১ জনের বেশি কৃষকের বিধবা স্ত্রী আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। কারও জন্য ঘর নির্মাণ করা হয়েছে, কাউকে জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করতে সাহায্য করা হয়েছে।
কাজের পরিধি যে কতটা বেড়েছিল, তার ধারণা পাওয়া যায় নাম ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক হিসাব থেকে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের কার্যক্রমের বিবরণ অনুযায়ী, এই সময়ে মহারাষ্ট্রে ২ হাজার ২৪৬টি পানির উৎস পুনরুদ্ধার এবং ১৭৮টি নদী পুনরুজ্জীবিত করার কাজ করেছে সংগঠনটি। এসব উদ্যোগে ৭৭ লাখের বেশি কৃষক উপকৃত হয়েছেন বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই অর্জন অবশ্য ফাউন্ডেশনের কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।
২০২৬ সালেও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। গত মে মাসে নাগপুরে পানি সংরক্ষণবিষয়ক এক অনুষ্ঠানে নাম ফাউন্ডেশনের সভাপতি হিসেবে অংশ নেন তিনি। দ্য হিতবাদা পত্রিকার ১৯ মে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে নানা পাটেকর বলেছিলেন, পানি সংরক্ষণের কাজ করার তাগিদ মানুষের ভেতর থেকেই আসতে হবে, লোকদেখানোর জন্য নয়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে নাম ফাউন্ডেশনের নতুন উন্নয়ন সহযোগিতার খবরও প্রকাশ করে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া। গড়চিরোলি অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, নদী খনন ও গ্রামীণ জীবিকার উন্নয়ন ছিল সেই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
নিজের দানশীলতা নিয়ে প্রচার পছন্দ করতেন না নানা পাটেকর। রিডার্স ডাইজেস্টের সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন মানুষের জন্য এত কাজ করেন, অথচ প্রচার করেন না? উত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন, অন্যরা দীপাবলিতে আতশবাজি ফোটান, মিষ্টি কেনেন; তাঁর কাছে অসহায় মানুষকে সাহায্য করাই দীপাবলির আনন্দ। অন্যের জন্য কাজ করে তিনি নিজেই আনন্দ পান।
বৃহস্পতিবার সকালে নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবরে তাই অভিনয়জীবনের পাশাপাশি ফিরে আসছে তাঁর মানবিক কাজের স্মৃতিও। দর্শকের কাছে তিনি ‘ক্রান্তিবীর’-এর প্রতিবাদী কণ্ঠ, ‘পরিন্দা’-র দাপুটে অভিনেতা কিংবা ‘ওয়েলকাম’-এর হাস্যরসের চরিত্র। আর মহারাষ্ট্রের বহু কৃষক পরিবারের কাছে ছিলেন বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ানো একজন মানুষ। একদিন মাসে ৩৫ টাকা উপার্জন করা সেই কিশোরই পরবর্তী জীবনে নিজের অর্থ ও সময় ব্যয় করেছেন অসহায় মানুষের জন্য। তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, পদ্মশ্রীসহ অসংখ্য অর্জন নিয়ে বিদায় নিলেন নানা পাটেকর।

তথ্যসূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট, নবভারত টাইমস, দ্য হিতবাদা, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category