• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
Headline
পবিত্র মক্কা নগরীর দিকে হুতিরা ড্রোন ছুড়েছে, অভিযোগ সৌদি আরবের মক্কাকে টার্গেটের দাবি ‘জঘন্য মিথ্যা’, বললো হুথিরা আত্মহত্যা বাড়ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে যুক্তরাষ্ট্রে খবর সংগ্রহে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩ নাগরিকদের সৌদি আরবে ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে বলল যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিমবঙ্গে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে ধরপাকড়: পাঠানো হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টারে দেড় বছরেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নেয়া সেই বোনাসের টাকা ফেরত আসেনি সোনালী ব্যাংকে সর্বজনীন পেনশনে একগুচ্ছ নতুন সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ সরকারের ইউএফএস-প্রগতি লাইফ ইউনিট ফান্ডের অবসায়ন প্রস্তাব অনুমোদন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমায় দেশের ঋণমানের পূর্বাভাস ‘স্থিতিশীল’ করল মুডিস

রাঙামাটিতে বাবাকে হত্যার পর রক্তপান করা ছেলের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, রাঙামাটি : রাঙামাটির সাজেকে চাঞ্চল্যকর শান্তি লাল চাকমা হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে বলা হয়, নিহত শান্তি লাল চাকমার আপন ছেলে ও ভাতিজাই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রাতে সাজেক থানার ভাইবোন ছড়া এলাকায় মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রাতে সাজেক থানার ভাইবোন ছড়া এলাকায় রাতের খাবার শেষে ঘর থেকে ডেকে বের করে শান্তি লাল চাকমাকে গলাই গামছা পেঁচিয়ে ধরে আসামিরা। এরপর ধারালো দা দিয়ে গলা কেটে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। নৃশংসতা এখানেই শেষ নয়; খুনের পর আসামিরা লাশ গলা থেকে রক্ত পান করে এবং পরে লাশ গঙ্গারাম নদীতে ফেলে দেয়। ঘটনার আট দিন পর বাঘাইছড়ির কাচালং নদী থেকে গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এ ছাড়া অভিযুক্ত দুই আসামি নিহতের ছোট ছেলে সোহেল চাকমা ও ভাতিজা আলোময় চাকমা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
রায়ে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে নিহতের ছেলে সোহেল চাকমা ও ভাতিজা আলোময় চাকমাকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। মামলার অপর আসামি আলোময় চাকমা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
উপস্থিত আসামি সোহেল চাকমাকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উচ্চ আদালতে ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, এমন পশুবৃত্তসুলভ ও নির্মম হত্যাকাণ্ড সমাজে বিরল এবং মানবসভ্যতার জন্য চরম হুমকি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশেদ ইকবাল বলেন, মূল আসামি ভাতিজা আলোময় চাকমা আদালত ও উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পরবর্তিতে পলাতক রয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডে নিহত শান্তি লাল চাকমার ছেলে সোহেল চাকমার সরাসরি কোনও সম্পৃক্ততা নাই। পারিবারিক দণ্ডে তাকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আদালত শান্তি লাল চাকমা হত্যাকাণ্ডে দুই জনকে ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন। আমরা পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category