প্রভাত রিপোর্ট: সার কারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারলে ভবিষ্যতে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সার রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ কথা জানানো হয়। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন। বৈঠকের শুরুতে আলোচ্যসূচি অনুযায়ী প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়।
বৈঠকে সভাপতি বলেন, সার বিতরণ ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকট দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে নিরসন করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে দেশে সারের কোনো সংকট নেই; বরং চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সার কারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারলে ভবিষ্যতে উদ্বৃত্ত সার রপ্তানির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
কমিটির সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সার বিতরণ, মজুত ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এবং সারের অবৈধ মজুত, বিপণন ও অন্যান্য অনিয়ম সরেজমিনে পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এসব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন মো. রোকন উদ্দীন বাবুল ও মোছা. সাবিরা সুলতানা।
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। যেসব ক্ষেত্রে এখনো ডিলারশিপের চুক্তি সম্পাদিত হয়নি, সেসব ক্ষেত্রে অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চুক্তি সম্পাদন স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। আর যেসব ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদসহ কমিটির সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. রোকন উদ্দীন বাবুল, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মোছা. সাবিরা সুলতানা ও মো. গোলাম রছুল উপস্থিত ছিলেন।