• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটে পিএইচপি নিরাপত্তার ঝুঁকি, ফের সতর্কতা মালয়েশিয়ার ৩০ সদস্যের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসছে সোমবার বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদের ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত এখনও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে রান্নার গ্যাস, আবার বাড়ানোর প্রস্তাব বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছে : শফিকুর রহমান হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নিজ বাড়িতে দাফন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধস, প্রথম প্রান্তিকে হার ৩.৮৯%

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটা নিরাপদ

Reporter Name / ১৮৯ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: স্মার্টফোনে ব্লুটুথ সবসময় চালু রাখা সাধারণ একটি অভ্যাস মনে হলেও এর সঙ্গে কিছু বাস্তব নিরাপত্তা ঝুঁকি জড়িয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে হেডফোন, স্মার্টওয়াচ, গাড়ির সিস্টেম বা ফাইল আদান-প্রদানের মতো বিভিন্ন কাজে ব্লুটুথ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে প্রয়োজন শেষে এটি বন্ধ না করলে ব্যক্তিগত তথ্য, ডিভাইস এবং সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। প্রথমত, ব্লুটুথ সবসময় চালু থাকলে আপনার ডিভাইস অন্যদের কাছে ডিসকভারেবল বা দৃশ্যমান হয়ে থাকতে পারে। এতে আশেপাশে থাকা কোনো হ্যাকার সহজেই আপনার ফোন শনাক্ত করতে পারে। তারা বিশেষ কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনার ফোনে অননুমোদিতভাবে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে, যাকে বলা হয় ব্লুটুথ হ্যাকিং।
দ্বিতীয়ত, ব্লুটুথ চালু থাকলে ডিভাইস থেকে নিয়মিত সিগন্যাল বের হয়, যা ব্যবহারকারীর অবস্থান ট্র্যাক করতেও কাজে লাগানো যেতে পারে। শপিং মল বা পাবলিক প্লেসে কিছু ট্র্যাকিং সিস্টেম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ফলে আপনার অজান্তেই কেউ আপনার চলাফেরার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
তৃতীয়ত, অপরিচিত ডিভাইসের সঙ্গে ভুলবশত কানেক্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। অনেক সময় হ্যাকাররা এমন নাম ব্যবহার করে যা দেখে ব্যবহারকারী বিভ্রান্ত হয়ে কানেক্ট করে ফেলেন। একবার সংযোগ হয়ে গেলে তারা আপনার ফোনের কিছু অংশে প্রবেশাধিকার পেতে পারে।
চতুর্থত, ব্যাটারির ওপরও এর প্রভাব পড়ে। যদিও আধুনিক ব্লুটুথ অনেক কম শক্তি ব্যবহার করে, তবুও অপ্রয়োজনে চালু থাকলে তা ধীরে ধীরে ব্যাটারি ক্ষয় করে।
তবে এর মানে এই নয় যে ব্লুটুথ ব্যবহারই করা যাবে না। বরং সচেতন ব্যবহারই এখানে মূল বিষয়। কিছু সহজ অভ্যাস আপনাকে নিরাপদ রাখতে পারে-
ব্যবহার না করলে ব্লুটুথ বন্ধ রাখা উচিত। ডিভাইসকে নন-ডিসকভারেবল বা লুকানো অবস্থায় রাখলে অনাকাঙ্ক্ষিত সংযোগের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া অচেনা কোনো ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট না করাই নিরাপদ। ফোনের সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখলে নিরাপত্তা ত্রুটি অনেকাংশে কমে আসে। পাশাপাশি পাবলিক স্থানে ব্লুটুথ ব্যবহার করার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category