প্রভাত বিনোদন : প্রয়াত অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। সেখান থেকে নিজেকে অভিনয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমৃত্যু ছিলেন অভিনয়ের সঙ্গেই। দীর্ঘ দিনের কর্মজীবনে স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। শিল্পকলায় অবদানের জন্য পেয়েছেন একুশে পদকও। তবে অভিনয়জীবনের বাইরেও ধর্মের প্রতি ছিল তার গভীর অনুরাগ। জীবনে ১১ বার হজ করেছিলেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই তিনি বলেছিলেন, ‘১১ বার হজ করেছি।’
পাশাপাশি আরও একবার হজ করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। সেটা আর হলো না। তার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। মক্কা ও মদিনার প্রতিও এটিএম শামসুজ্জামানের ছিল বিশেষ ভালোবাসা। জানা যায়, নিজের কক্ষেও মক্কার একটি বড় ছবি টানিয়ে রেখেছিলেন তিনি।
এটিএম শামসুজ্জামান জীবনের শেষ দিকে বেশ কয়েকবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ২০১৯ সালে শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন। পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগেছেন তিনি।
২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
১০ সেপ্টেম্বর এই গুণি অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে জন্মগ্রহণ করেন আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান। তিনিই সবার কাছে এটিএম শামসুজ্জামান নামে পরিচিত।