• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জামিন পেলেন সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী বিস্ফোরক মামলায় দেড় মাসের সন্তানের মা নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগ নেত্রী কারাগারে পিরোজপুরে নিখোঁজ প্রবাসীর সন্ধান, সরকারি প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নাজিরপুরে ২৩ বছর পর যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার সংসদে সমাধানের ইস্যু রাজপথে আনা উচিত নয়: এটিএম আজহার শিক্ষার মান নিশ্চিতের সঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারে জোর দিতে হবে বিএনপির প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে: সেলিমা রহমান পরীক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে: মাহদী আমিন সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালকের ওপর হামলা: র‌্যাব নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

দশমিনায় স্বর্ন পদকপ্রাপ্ত কৃষি উদ্যোক্তা কাজী আনিছ’র কমলা চাষে বাজিমাত

প্রভাত রিপোর্ট / ২০৪ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নাসির আহমেদ, দশমিনা: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে কমলা চাষ করে বাজিমাত করেছে। উপজেলার প্রান্তিক এই চাষী পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। চলতি বছর কাজী আনিছ তার কৃষি খামারে চায়না কমলা-৩চাষ করেছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র ও দশমিনা উপজেলা কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তর তাকে এই কমলা চাষ করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে। পটুয়াখালীর লেবুখালীতে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেদ্র থেকে চায়না কমলা-৩ প্রজাতির চারা সংগ্রহ করেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ সার্বক্ষনিক ভাবে উপজেলার একমাত্র কৃষি উদ্যোক্তা ও ১১ তম জাতীয় কৃষি স্বর্ন পদকপ্রাপ্ত কৃষক কাজী আনিছুর রহমানকে উৎসাহ দিয়েছে। তার খামারে কমলার ফলন দেখে অন্যান্য কৃষকরা কমলা চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের চাষী কাজী আনিছ জানান, আমি অনেক বছর যাবৎ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নার্সারী ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ফলমূল উৎপাদন করি। তাই আমি এই বছর উপজেলা কষি কর্মকর্তার পরামর্শে বাণিজ্যিকভাবে কমলার চাষ করছি। জেলার লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে আমার লাগানো কমলার চারা নিয়ে আসা হয়। আমি প্রায় অর্ধ একর পতিত জমিতে কমলার চাষ করেছি। অনেক ভালো ফলন হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর নিয়মিত খোঁজ খবর নেওয়াসহ সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে।
এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাফর আহামদ জানান, কমলা চাষের জন্য বাড়তি জমির প্রয়োজন হয় না। উপজেলার পতিত জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা হিসেবে কমলা চাষে চাষীদেরকে উদ্ধুদ্ধকরণ করা হয়েছিল। কমলা উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজার মূল্য বেশি থাকায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে কমলা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও