কুলসুম আকতার পুতুল, শরনখোলা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটে ৪ আসনের মধ্যে ৩টিতে জামায়াত ও ১ টিতে বিএনপি নির্বাচিত হয়েছেন। বাগেরহাট রিটার্নিং কর্মকর্তা বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার শান্তিপূর্ণভাবে বাগেরহাটের চারটি আসনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে দাড়িপাল্লা প্রতিকে ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ ধানের শীষ প্রতিকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ১৪৭টি কেন্দ্র ছিল।
তিনটি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের ব্যারিষ্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৬ হাজার ২৭৪ ভোট।
বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৫০ হাজার ৯৬ ভোট। বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল)আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতিকে তিনি ১ লাখ ০৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতের এ্যাড. আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট। মোংলা ও রামপাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)আসনে বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম বিজয়ী হয়েছেন। দাড়িপাল্লা প্রতিকে এই প্রার্থী পেয়েছেন এক লক্ষ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপির সোমনাথ দে ধানের শীষ প্রতিকে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট। এই আসনে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ১৭ হাজার ৭৪১ ভোট। মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।