প্রভাত স্পোর্টস: মিরপুরে দ্বিতীয় সারির অনভিজ্ঞ দল নিয়েও সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ৪৮.২ ওভারেই ২২১ রানে অলআউট হয়েছে। রান তাড়ায় নাথান স্মিথের আঘাতে ২১ রানে দ্রুত দুটি উইকেট পতনের পর ভালোই জবাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। সাইফ হাসান-লিটন দাস মিলে ৯৩ রানের জুটি গড়েছিলেন। সাইফ ৫৭ রানে ফিরলেও লিটন দাস যতক্ষণ ছিলেন ততক্ষণ সব কিছুই ঠিক মতো ছিল। উইকেটকিপার ব্যাটার ৪৬ রানে ফিরতেই নিজেদের পরিস্থিতি কঠিন করে তোলে স্বাগতিক দল। চাপের মুহূর্তে তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন মিলে জুটি গড়েন ঠিকই কিন্তু মন্থর সেই জুটি বলের ব্যবধান বাড়িয়েছে। তার ওপর আফিফের আউটের পর প্রয়োজনের সময় প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হন মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেনও। যার প্রভাবে পরে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। এই সময় দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে। বিশেষ করে ব্লেয়ার টিকনার টানা দুই বলে দুই উইকেটসহ শেষ দিকে এসে ৩ উইকেট নিয়ে ইনিংস গুটিয়ে দিতে ভূমিকা রেখেছেন। তাওহীদ হৃদয় এই সময় হাত খোলার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ৬০ বলে ৫৫ রানে আউট হওয়াতে ২২১ রানে থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংস। ব্লেয়ার টিকনার ৪০ রানে নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। ৪৫ রানে ৩টি নেন নাথান স্মিথ। একটি করে নিয়েছেন উইল ও’রুর্ক, জেইডেন লেনক্স ও ডিন ফক্সক্রফট। ফক্সক্রফট ব্যাট হাতেও ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলায় ম্যাচসেরা হয়েছেন।
প্রথম ওয়ানডের সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ৪৮.৩ ওভারে ২২১/১০ (রানা ০*; তানজিদ ২, শান্ত ০, সাইফ ৫৭, লিটন ৪৬, আফিফ ২৭, মিরাজ ৬, রিশাদ ৪, শরিফুল ০, তাসকিন ২, হৃদয় ৫৫) ফল: নিউজিল্যান্ড জয়ী ২৬ রানে।
নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ২৪৭/৮ (লেনক্স ১*, স্মিথ ২১* ; কেলি ৭, ইয়াং ৩০, ল্যাথাম ১৪, নিকোলস ৬৮, আব্বাস ১৪, ক্লার্কসন ৮, ফক্সক্রফট ৫৯, টিকনার ৭)
তাসকিনের বিদায়ে পড়লো নবম উইকেট
এক ওভার বিরতি দিয়ে আবার আঘাত হেনেছেন ব্লেয়ার টিকনার। বাংলাদেশকে অসম্ভব কিছু করার কোনও সুযোগই দেননি তিনি। ৪৭.৩ ওভারে তাসকিন আহমেদকে বোল্ড করেছেন। নিজের চতুর্থ শিকারের সঙ্গে বাংলাদেশ হারায় তাদের নবম উইকেট।
টানা দুই বলে ফিরলেন রিশাদ, শরিফুল
মিরাজের পর শেষ স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে রিশাদ হোসেনের ওপর নির্ভর করছিল অনেক কিছু। কিন্তু ৪৬তম ওভারে রিশাদকে ৪ রানে ফিরিয়েছেন কিউই পেসার টিকনার। পরের বলে বোল্ড করেন শরিফুলকেও। পর পর দুটি উইকেট পতনে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।
চাপ বাড়িয়ে সাজঘরে মিরাজ
আফিফ-হৃদয় জুটি গড়ে খেললেও তাতে ছিল মন্থর গতি। যার প্রভাব পড়েছে ম্যাচে। নতুন নামা মেহেদী হাসান মিরাজও বেশি কিছু করতে পারেননি। ৬ রানে আউট হয়ে আরও চাপ বাড়িয়ে গেছেন। দলের ১৯৪ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাতে পড়ে দলের ষষ্ঠ উইকেট।
আফিফের আউটে ভাঙলো ৫২ রানের জুটি
লিটন দাসের বিদায়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। আফিফ হোসেন ও তাওহীদ হৃদয় জুটি গড়লেও তাদের রান তোলায় ছিল মন্থর গতি। ৭৯ বলে দুজনে যোগ করেছেন ৫২ রান। দলের ১৮৪ রানে আফিফ হোসেনের বিদায়ে ভেঙেছে এই জুটি। মেরে খেলতে গিয়ে ২৭ রানে ক্যাচ তুলে আউট হন আফিফ।
৪৬ রানে বোল্ড লিটন
সাইফ ফিরলেও প্রান্ত আগলে খেলছিলেন লিটন দাস। ব্যবধান কমাচ্ছিলেন তিনি। চলে আসেন ফিফটির কাছেও। ব্যক্তিগত ৪৬ রানে তাকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে চমকে দিয়েছেন ফক্সক্রফট। তার ঘূর্ণি বল বুঝতেই পারেননি লিটন। বোল্ড হয়েছেন। লিটনের ৬৮ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চারের মার। বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারায় ১৩২ রানে।
সাইফের বিদায়ে ভাঙলো ৯৩ রানের জুটি
শুরুতে দ্রুত দুই উইকেট পতনের পর বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায় সাইফ হাসান-লিটন দাসের জুটিতে। দুজনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্রাসী ছিলেন সাইফ। তুলে নেন ফিফটি। তাকে ৫৭ রানে থামিয়ে ৯৩ রানের জুটি ভেঙেছেন ও রুর্ক। পুল করতে গিয়ে ক্লার্কসনের হাতে ধরা পড়েছেন সাইফ। বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারায় ১১৪ রানে।
সাইফের ফিফটি, একশ ছাড়ালো বাংলাদেশ
২১ রানে টানা দুই বলে দুটি উইকেট পড়লেও সেই ধাক্কা সামলে উঠেছেন অভিজ্ঞ সাইফ হাসান ও লিটন দাস। তৃতীয় উইকেটে তাদের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে বাংলাদেশ ভালোভাবেই জবাব দিচ্ছে। সাইফ হাসান তো ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন। দুজনের ব্যাটেই বাংলাদেশের স্কোর ছাড়িয়েছে একশ।
স্মিথের জোড়া আঘাতে ফিরলেন তানজিদ, শান্ত
রান তাড়ায় শুরুটা দেখেশুনে করেছিলেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। তৃতীয় ওভারে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। নাথান স্মিথের প্রথম বলে মেরে খেলতে গিয়ে ২ রানে বোল্ড হয়েছেন ওপেনার তানজিদ হাসান। পরের বলে নতুন নামা নাজমুল হোসেন শান্তকেও বোল্ড করে টানা দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন কিউই পেসার। ফলে ২১ রানের মধ্যেই দুই উইকেট পড়েছে বাংলাদেশের।
বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নিউজিল্যান্ড
প্রথম ওয়ানডেতে বল হাতে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে বোলিং করে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে ২৪৭ রানে আটকে দিয়েছে তারা।
ব্যবহৃত পাঁচ বোলারের প্রত্যেকেই উইকেটের দেখা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে পেসার শরিফুল ইসলাম ছিলেন সবচেয়ে সফল। ১০ ওভারে ২৭ রানে নেন ২ উইকেট। ছিল দুটি মেডেনও। লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেন ও পেসার তাসকিন আহমেদও নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানা ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ নেন একটি করে উইকেট।
সফরকারীদের পক্ষে ওপেনার হেনরি নিকোলস ৮৩ বলে সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন। নিচের দিকে নেমে ডিন ফক্সক্রফট ৫৮ বলে ৫৯ রানের কার্যকর ইনিংসে গতি ফেরান।
অবশ্য পাওয়ারপ্লের পর কিছুটা গতি বাড়ালেও মাঝের ওভারে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। শুরুর ধীরগতির পর হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়াং দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়ে দলকে ভালোই এগিয়ে নিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে ১ উইকেটে স্কোর ছিল ৯৪। উইল ইয়াংকে রিশাদ হোসেন বিদায় দিলে তারপর দ্রুতই ইনিংসের ছন্দপতন ঘটে। মাঝে দারুণ বোলিংয়ে মাত্র ৩৭ রানে ৩ উইকেট তুলে ম্যাচের গতি নিজেদের পক্ষে নেয় স্বাগতিকরা।
শেষ দিকে বাংলাদেশ সফরকারীদের ওপর আরও চাপ বাড়ালে তারা বেশি রান নিতে পারেনি। এই সময় দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন নাথান স্মিথ (২১*)।
তাসকিনের দ্বিতীয় শিকার টিকনার
শেষ ওভারে গিয়ে রান বাড়াতে চেয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু তাসকিন আহমেদের গতির কাছে পেরে উঠেননি স্ট্রাইকে থাকা ব্লেয়ার টিকনার (৭)। ৪৯.২ ওভারে বোল্ড হয়েছেন তিনি। তাতে অষ্টম উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এটি তাসকিনের দ্বিতীয় শিকার।
ফক্সক্রফটকে থামালেন রানা
নিকোলসের পর নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন মূলত ডিন ফক্সক্রফট। তার দায়িত্বশীল ব্যাটিং দলকে পথ দেখাচ্ছিল। ৫২ বলে ফিফটি তুলে নেওয়া এই ব্যাটারকে অবশেষে থামিয়েছেন নাহিদ রানা। ৪৬.৪ ওভারে ফক্সক্রফটকে ৫৯ রানে বোল্ড করেছেন তিনি। কিউই ব্যাটারের ৫৮ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চারের মার। নিউজিল্যান্ড সপ্তম উইকেট হারায় ২২৬ রানে।
ক্লার্কসনকে বোল্ড করলেন তাসকিন
আব্বাসকে নিয়ে ৩৪ রান যোগ করেছিলেন ফক্সক্রফট। তার পর ষষ্ঠ উইকটে ক্লার্কসনকে নিয়েও ২৭ রান যোগ করেন তিনি। এই জুটি পোক্ত হওয়ার আগেই ক্লার্কসনকে বোল্ড করে প্রথম উইকেটের দেখা পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ১৬ বলে ৮ রানে ফিরেছেন কিউই ব্যাটার। নিউজিল্যান্ড ষষ্ঠ উইকেট হারায় ১৯২ রানে।
শরিফুলের আঘাতে ভাঙলো জুটি
৪ রানের ব্যবধানে দ্রুত ২ উইকেট পতনের পর পঞ্চম উইকেটে জুটি গড়েছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস ও ফক্সক্রফট। কিন্তু ৩৬তম ওভারে শরিফুলের আঘাতে ভেঙেছে ৩৪ রানের এই জুটি। লিটনকে ক্যাচ দিয়ে ১৪ রানে ফিরেছেন আব্বাস। তাতে ১৬৫ রানে পতন হয়েছে পঞ্চম উইকেটের। শরিফুলের এটি দ্বিতীয় শিকার।
মিরাজের পর রিশাদের আঘাত
দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙার পর নেমেছিলেন অধিনায়ক ল্যাথাম। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি যদিও। ২৭তম ওভারে ১৫ বলে ১৪ রানে মেহেদী হাসান মিরাজের আঘাতে বোল্ড হয়েছেন। তাতে ভাঙে নিকোলস-ল্যাথামের ৩৩ রানের জুটি। পরের ওভারে রিশাদের আঘাতে ফেরেন প্রান্ত আগলে খেলতে থাকা নিকোলসও। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লিটনের গ্লাভসবন্দি হয়েছেন। ৮৩ বলে থেমেছেন ৬৮ রানে। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চারের মার। তাতে ৪ রানের ব্যবধানে পড়েছে দুটি উইকেট।
নিকোলসের ফিফটি, দলীয় শতরান ছাড়িয়েছে নিউজিল্যান্ড
দ্বিতীয় উইকেট পতন হলেও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ১৭তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন নিকোলস। ৭ চারে ৬৫ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন তিনি। একই সময়ে দল শত রানও ছাড়িয়েছে।
৭৩ রানের জুটি ভাঙলেন রিশাদ
২১ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে পথ দেখাচ্ছিলেন হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়াং। ধীর গতির সূচনার পর ভালো জুটিও গড়েন তারা। ২১.৩তম ওভারে এসে ৭৩ রানের জুটি ভেঙেছেন রিশাদ হোসেন। সফট ডিসমিসালে ফিরেছেন ইয়াং। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ৩০ রানে বিদায় নেন তিনি। তাতে ৯৪ রানে পড়েছে দ্বিতীয় উইকেট। ইয়াং অবশ্য ১ রানে জীবন পেয়েছিলেন।
১০ ওভারে নিউজিল্যান্ডের ৩৮
পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে বেশি রান নিতে দেয়নি বাংলাদেশ। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তাদের আটকে রাখার চেষ্টা করেছে। তাতে দশ ওভারে নিউজিল্যান্ড ১ উইকেটে তুলেছে ৩৮ রান। অবশ্য এই সময়ে একটি ক্যাচ ছাড়ার ঘটনাও ঘটেছে। নবম ওভারে শরিফুলের বলে সহজ ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন স্লিপে থাকা সাইফ হাসান।
সপ্তম ওভারেই শরিফুলের সাফল্য
টস হেরে বোলিংয়ে নামলেও শুরুটা দারুণ করেছেন তাসকিন আহমেদ,শরিফুল ইসলামরা। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সেভাবে হাতই খুলতে পারেননি দুই ওপেনার হেনরি নিকোলস ও নিক কেলি। ৫ ওভারে রান এসেছে মাত্র ১৬। সপ্তম ওভারে শরিফুলের বলে আসে প্রথম সাফল্যও। মেরে খেলতে গিয়ে ৭ রানে বোল্ড হয়েছেন ওপেনার কেলি। তার ২৩ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার।
টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরেছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটা শুরু হয়েছে বেলা ১১টায়। দেখাচ্ছে টি স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি।
এবারের সিরিজে দ্বিতীয় সারির দল নিয়েই খেলতে এসেছে কিউই দল। তাই সিরিজে লড়াইটা হচ্ছে নতুন বনাম অভিজ্ঞদের। স্বাগতিক বাংলাদেশের লক্ষ্য সিরিজ জয়। বিশেষ করে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সর্বশেষ ২০২৩ সালেও একই রকম খর্ব শক্তির দল নিয়ে সিরিজ ২-০ তে জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। এবারও তাদের প্রেরণা দিচ্ছে সেই সিরিজ।
একাদশে কারা
পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা সর্বশেষ ওয়ানডে থেকে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমানের জায়গায় খেলছেন আরেক পেসার শরিফুল ইসলাম। সব মিলে একাদশে রয়েছেন ৩ পেসার।
বাংলাদেশ একাদশ:
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটকিপার), তাওহীদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।
নিউজিল্যান্ড একাদশ:
উইল ইয়াং, টম ল্যাথাম (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), হেনরি নিকোলস, নিক কেলি, মোহাম্মদ আব্বাস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ব্লেয়ার টিকনার, উইলিয়াম ও’রুর্ক ও জেইডেন লেনক্স।