• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মুজিবনগরে নাগরিক সমাজের শ্রদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত সব দিবস যথাযোগ্যভাবে পালনের দাবি অনভিজ্ঞ দল নিয়েও বাংলাদেশকে হারালো নিউজিল্যান্ড জ্বালানি তেলের অপ্রতুলতার প্রভাবে চড়া বাজার ৫০ ঘণ্টায় ভারত থেকে আসবে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: ৭ জন রিমান্ড শেষে কারাগারে চার লাল কার্ডের দিনে আবাহনী ও মোহামেডানের জয়, কিংসের ড্র গ্যাস না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ করলেন আমিনবাজারের বাসিন্দারা পাম্পে তেল নেয়ায় অগ্রাধিকার চায় পুলিশ শাহবাগে নাগরিকদের ওপর হামলার নিন্দা: বিচার দাবিতে ৩৭০ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি নারায়ণগঞ্জে পানির ট্যাংকিতে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

৪১ রানে অপরাজিত থাকা মিলারের দারুণ ইনিংসটি বিফলে গেল

প্রভাত রিপোর্ট / ৩৭ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: কী ভেবেছিলেন ডেভিড মিলার? ১৯তম ওভারের পঞ্চম বলে তিনি রান নিলেন না কেন? আইপিএলে বুধবার গুজরাট টাইটানস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে ম্যাচ শেষে এমন প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক।
গুজরাটের ২১০ রান তাড়া করতে নেমে হাতে ৩ উইকেট রেখে শেষ ২ বলে ২ রান দরকার ছিল দিল্লির। প্রসিধ কৃষ্ণার করা শেষ ওভারের পঞ্চম বলে দৌড়ে ১ রান নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা করেননি মিলার। অপর প্রান্তে থাকা কুলদীপ যাদবকে ফেরত পাঠান। শেষ বলে কৃষ্ণার খাটো লেংথের স্লোয়ার ব্যাটেই লাগাতে পারেননি মিলার। মরিয়া হয়ে প্রান্ত বদল করতে গিয়ে রানআউট হন।
শেষ ওভারের পঞ্চম বলে মিলার রান না নেয়ার পর কী ভেবেছিলেন গুজরাট অধিনায়ক শুবমান গিল? ম্যাচ শেষে গিলের উত্তর, ‘(ভেবেছিলাম) জয়ের সুযোগ আছে আমাদের।’ শেষ বলটা কেমন হবে, সেটাও পরিকল্পনা করেই করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গিল, ‘ইয়র্কার নাকি স্লোয়ার—আমরা এ নিয়ে আলাপ করেছি। উইকেটের আচরণ দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিই ভালো স্লোয়ার বলে বাউন্ডারি মারা কঠিন হবে।’৩ ছক্কা ও ৩ চারে ২০ বলে ৪১ রানে অপরাজিত থাকা মিলার শেষ বলে বাউন্ডারি মারার লক্ষ্যেই পুল করেন। ব্যাটেই লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত বিফলে যায় তাঁর দারুণ ইনিংসটি।
মিলার কেন তখন দৌড়ে ১টি রান নেননি, সেটা ব্যাখ্যা করেছেন ভারতের কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার, ‘হ্যাঁ, জয়সূচক রানটি সে নিজেই নিতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রথম বলে কুলদীপ যাদব যেভাবে ১ রান নিয়েছে, সেটা দেখে মনে হয়েছে, কুলদীপকেই হয়তো স্ট্রাইক দেয়া উচিত ছিল তার।’
গাভাস্কার এরপর আরেকটু গভীরে তাকিয়ে বলেন, ‘তার (কুলদীপকে) স্ট্রাইক দেয়া উচিত ছিল। অবশ্য ম্যাচ শেষে এমন অনেক কথাই বলা যায়। তবে আসল কথা হলো, আগের ওভারগুলোতে এবং ওই ওভারেও সে (মিলার) যেভাবে খেলছিলেন, তাতে তার বিশ্বাস ছিল যে, সে নিজেই ম্যাচ জেতাতে পারবে। তাই আপনি তাকে দোষ দিতে পারেন না। নিজের সামর্থ্যের ওপর তার ভরসা ছিল, কিন্তু দিন শেষে সেটি সফল হয়নি। কারণ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলটি ছিল এককথায় দুর্দান্ত।’
ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেনের ভাবনা একটু অন্য রকম। তাঁর মতে, মিলার হয়তো ভেবেছিলেন সিঙ্গেল নেওয়াটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই স্ট্রাইক নিজের কাছে রাখাই নিরাপদ মনে করেছিলেন। পিটারসেনের ভাষায়, ‘আমার মনে হয় মিলার ভেবেছিল যে শেষ বল থেকে অন্তত ১ রান সে নিশ্চিতভাবেই নিতে পারবে। তা না হলে বল সীমানার বাইরে পাঠাবে। কারণ, বল উড়িয়ে মারার সামর্থ্য তার দুর্দান্ত।’
পিটারসেন এরপর বলেন, ‘মিলার ভেবেছিল, শেষ বলে সে নিশ্চিতভাবেই অন্তত ১ রান নিতে পারবে। সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতি ছিল ১ রান, বল মিস হবে না—এটাই ছিল তার বিশ্বাস। আর সব ঠিক থাকলে ২, ৩, ৪ বা ছক্কাও হতে পারত।’
আইপিএলে এবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাঁচ বল হাতে থাকতেই হেরেছিল গুজরাট টাইটানস। দ্বিতীয় ম্যাচেও প্রায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জয়ের আশা জাগিয়ে রেখেছিল দলটি। আর তৃতীয় ম্যাচে হারের একদম দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ছিল তারা। কিন্তু শেষ বলে তুলে নেওয়া জয়ে এবার আইপিএলে প্রথম জয়ের মুখও দেখল গুজরাট।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও