• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
Headline
দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ-হংকং বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর লেখাপড়া রেখে বিশ্বের বুকে কোনো জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না : এলজিআরডি মন্ত্রী মেট্রোরেলের ৪৬টি পিয়ারে ফাটল চিহ্নিত: সংসদে জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে সম্বোধনে আর ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না রুল খারিজ, ছবি ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র করা যাবে না প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও গ্রহণযোগ্য হবে: সিইসি সেপ্টেম্বরের শেষে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিল্পে গ্যাস সংকট ঠেকাতে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ১৫০ কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে রিজিওনাল এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ জার্নালে

এভারেস্টের হিমবাহ গলছে পর্বতারোহীদের প্রস্রাব ও জ্বালানির তাপে

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: এভারেস্টে পর্বতারোহীদের ফেলে যাওয়া মূত্রও হিমবাহ গলার পেছনে ভূমিকা রাখছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেজ ক্যাম্পে জ্বালানি পোড়ানোর তাপের পাশাপাশি সরাসরি হিমবাহে ফেলা মানুষের মূত্রের তাপেও প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বরফ ও তুষার গলে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক একদল গবেষক নেপালের এভারেস্ট অংশের খুম্বু হিমবাহ নিয়ে এই গবেষণা করেছেন। তাদের গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে রিজিওনাল এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ জার্নালে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালের ৫০ দিনের বসন্ত মৌসুমে বেজ ক্যাম্পের প্রায় ১ হাজার ৬০০ তাঁবুতে রান্না, গরম রাখা ও বিদ্যুতের জন্য ৮২৪ ক্যানিস্টার এলপিজি, ১৮ হাজার ৯৩৫ লিটার কেরোসিন ও ৫ হাজার ১৩০ লিটার পেট্রোল ব্যবহার করা হয়।
পর্বতারোহী ও গাইডদের মূত্রের তাপ এবং জ্বালানি পোড়ানোর তাপ মিলিয়ে ওই সময়ে মোট ৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৪ মেগাজুল তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। গবেষকদের হিসাবে, এতে প্রায় ২ হাজার ৪৯২ টন বরফ ও তুষার গলার মতো তাপ তৈরি হয়।
এর মধ্যে শুধু মানুষের মূত্রের তাপেই এক মৌসুমে প্রায় ১৫৪ টন বরফ গলতে পারে। উচ্চতায় পানিশূন্যতা এড়াতে পর্বতারোহী ও গাইডরা প্রচুর পানি পান করায় বেজ ক্যাম্পে প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার লিটার মূত্র উৎপন্ন হয়। কঠিন বর্জ্য নিচে নামিয়ে আনা হলেও মূত্রের বড় অংশ সরাসরি হিমবাহে ফেলা হয়।
স্যাটেলাইটের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা আরও দেখেছেন, ১৯৯১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বেজ ক্যাম্প এলাকায় ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রতি বছর গড়ে ০.২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এই হার আশপাশের খুম্বু হিমবাহের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
গবেষকেরা অবশ্য বলেছেন, এভারেস্টের হিমবাহ গলার প্রধান কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। তবে দ্রুত গলতে থাকা হিমবাহের ওপর প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষের এমন চাপকে টেকসই মনে করছেন না তারা। দীর্ঘমেয়াদে বেজ ক্যাম্পটি হিমবাহের ওপর থেকে সরিয়ে কাছাকাছি স্থিতিশীল কোনো এলাকায় নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category