• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি

Reporter Name / ৩ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে পুরো দেশকে সহনশীলতার রাজনীতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন আর হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার পূরণ করে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ শুরু হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ঠাকুরগাঁওসহ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য আনন্দের দিন। এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।
রাষ্ট্রপতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এ জনপদে উচ্চশিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচনের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই তার প্রথম সরকারি সফর। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে তার প্রথম সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো। এর মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জেলায় উচ্চশিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচনের প্রত্যাশা আরও জোরালো হলো। এর আগে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণের পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত জানানো হয়। পরে সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।
সফরের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। পরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখতে সেখানে জড়ো হন হাজারো মানুষ। মাঠের পাশাপাশি আশপাশের সড়ক ও বিভিন্ন ভবনের ছাদেও ছিল মানুষের ভিড়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাঞ্চলের এই জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ছিল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের। বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category