• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ৩২ শিক্ষা হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের মূল ভিত্তি : প্রতিমন্ত্রী হাবিব বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ দেশজুড়ে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে টিকাদান ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পাথরঘাটায় হরিণের মাংসসহ আটক-১ পঞ্চগড়ে সোলার প্রকল্পে কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ সরকারের সমালোচনা করুন, তবে অহেতুক প্রতিবন্ধকতা নয় : আবদুস সালাম কম দামে গাড়ি দিতে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ে রাজপথে নেমেছি : শফিকুর রহমান

গাজীপুর সাফারি পার্কে দুই লেপার্ডের এক দশকের বন্দি জীবন

Reporter Name / ৬ Time View
Update : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, গাজীপুর: মাত্র দেড় মাস বয়সে পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার হয়েছিল দুটি লেপার্ড শাবক। নিয়ম অনুযায়ী তাদের রাখা হয়েছিল তিন সপ্তাহের অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইনে। কিন্তু সেই কোয়ারেন্টাইনে তাদের কেটে গেছে এক দশকের দীর্ঘস্থায়ী জীবন। উপযুক্ত আবাসনের অভাবে ১০ বছর ধরে গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত গাজীপুর সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী হাসপাতালের একটি সংকীর্ণ ঘরে বন্দি জীবন কাটাচ্ছে এই প্রাণী দুটি।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০১৭ সাল দুই লেপার্ড শাবক যশোর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তৎকালীন খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এগুলো গ্রহণ করে গাজীপুর সাফারি পার্কে পাঠান। ৩ সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইনের জন্য বন্যপ্রাণী হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে রাখা হয়। সেই দুই শাবক এখন পূর্ণবয়স্ক, কিন্তু জায়গা বদলায়নি।
সাফারি পার্কের কোয়ারেন্টাইন শেডে সরেজমিনে দেখা যায়, দুটি ছোট কক্ষে বন্দি রাখা হয়েছে প্রাণী দুটিকে। গাছে ওঠা, লাফিয়ে লাফিয়ে ঘুরে বেড়ানো কিংবা শিকারের কোনো সুযোগ নেই। অল্প জায়গায় বন্দি থাকায় মানুষ দেখলেই ক্ষিপ্ত হয়ে লোহার গ্রিলে আছড়ে পড়ছে তারা। স্বাভাবিক চলাচলের জন্য এই বন্দিশালা একেবারেই নগণ্য।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মনিরুল এইচ খান জানান, জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য সর্বোচ্চ চার সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে রাখা যুক্তিযুক্ত। সাফারি পার্কের মূল উদ্দেশ্যই হলো প্রাণীকে উন্মুক্ত পরিবেশে রাখা। কিন্তু এভাবে বছরের পর বছর ছোট ঘরে বন্দি রাখা সাফারি পার্কের মূল ধারণার পরিপন্থি। অনতিবিলম্বে বাঘ ও সিংহের মতো লেপার্ডের জন্য উপযোগী এনক্লোজার তৈরি করা দরকার।
পার্কে আসা দর্শনার্থীরা জানান, দেশীয় কোনো চিড়িয়াখানায় সাধারণত লেপার্ড দেখার সুযোগ মেলে না। শ্রীপুর সাফারি পার্কে থাকলেও তাদের নিবিড় বন্দিতে রাখা হয়েছে। আলাদা টিকিটের ব্যবস্থা করে হলেও দর্শনার্থীদের দেখার সুযোগ ও লেপার্ড দুটির জন্য মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা দরকার।
ঢাকা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম. কে. এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী বলেন, সরকারের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল সম্প্রতি স্থানটি পরিদর্শন করেছে এবং সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category