• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
ঋণের ১২২১ কোটি টাকা লোপাট : সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে ৩ মামলা শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও দামে প্রভাব পড়েনি ভ্যাট আদায়ে স্থবিরতা, দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠানই দেখিয়েছে শূন্য রিটার্ন আগামী গ্রীষ্মের মধ্যে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী ‘দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অপশক্তি শ্রমিকদের উস্কানি দিয়ে আন্দোলনে নামিয়েছে’ আশা করি গঙ্গা চুক্তি নিয়ে ভারত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ মেধানির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগামী জানুয়ারির বেতনের সঙ্গে নতুন মজুরি কার্যকর করার দাবি বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক, সংসদীয় গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় জোর

‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলে গ্রেফতার করা হবে’

Reporter Name / ২১ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম: সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখলে গ্রেফতার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক অপরাধ দমনবিষয়ক এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। কক্সবাজার জেলা পুলিশ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
কিশোর গ্যাং নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডিআইজি বলেন, এ অপরাধ দমনে পুলিশের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের ওপর অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি কমে গেছে। যে বয়সে তাদের বই-খাতা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে বয়সে বিকালে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে শিস দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। পারিবারিক শাসন ও নজরদারির অভাবেই কিশোর গ্যাং তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ডিআইজি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিশোর গ্যাং এ দেশ থেকে নির্মূল করবো। কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না। এটি পুরোপুরি নির্মূল করতে আমাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান এবং জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, কক্সবাজার শহরে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ সম্প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকেও সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category