• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
Headline
ঈদকে সামনে রেখে রাণীনগরে ছড়িয়ে পড়ছে মাদক, বাড়ছে চোরের উপদ্রব অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে সড়কে ‘মৃত্যুর মিছিল’ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি আগামী কয়েক দিন হজে কী কী করবেন হাজিরা নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ, ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাংরোডে বাড়ছে যাত্রীর চাপ , আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া ঈদ যাত্রায় গাবতলীতে দূরপাল্লার বাসের টিকিটে সংকট নেই ঈদযাত্রায় কমলাপুর রেল স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়, যাত্রী ভোগান্তি মিনায় লাখো হজযাত্রী, হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে বৃষ্টি

আগামী কয়েক দিন হজে কী কী করবেন হাজিরা

Reporter Name / ৬ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

ইসলাম ডেস্ক: পবিত্র হজ আজ সোমবার শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাত থেকে হজযাত্রীরা তাঁবুর নগর মিনায় যেতে শুরু করেছেন। হজযাত্রীদের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে তালবিয়ার দোয়া—‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্‌দা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুল্‌ক, লা শারিকা লাক…অর্থাৎ ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ। আমি হাজির, আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, আমি হাজির, নিশ্চয়ই সব প্রশংসা ও নিয়ামত তোমারই, আর সব সাম্রাজ্যও তোমার, তোমার কোনো শরিক নেই।’আরব নিউজ
হজযাত্রীরা যাতে সুচারুভাবে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে পারেন, সে জন্য সৌদি আরব সরকার বিশাল স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন ও বহুভাষিক সেবা চালু করেছে। পবিত্র স্থানে আগামী কয়েক দিন হজযাত্রীদের হজের সময়সূচি বা কার্যক্রম কেমন হবে, তার একটি রূপরেখা নিচে দেওয়া হলো।

১. মিনা

৮ জিলহজ: হজযাত্রীরা মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ (পবিত্র কাবা শরিফ) থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তাঁবুর নগরী মিনায় এসে পৌঁছান। তাঁরা মিনায় দিন–রাত কাটান এবং ইবাদত ও দোয়ায় মশগুল থাকেন।

২. আরাফাত

৯ জিলহজ: হজযাত্রীরা মিনা থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁরা আরাফাতের মরুভূমির প্রান্তরে অবস্থান করেন এবং একই দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রার্থনা ও তওবা (ক্ষমা প্রার্থনা) করতে থাকেন।

৩. মুজদালিফা

৯ জিলহজ: হজযাত্রীরা মিনা ও আরাফাত পর্বতের মধ্যবর্তী উপত্যকা মুজদালিফার দিকে রওনা হন। তাঁরা সেখানে রাত যাপন করেন এবং মিনার জামারাতে ‘শয়তানকে পাথর ছুড়ে মারার’ জন্য ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করেন।

৪. মিনা

১০ জিলহজ: ভোরের (ফজরের) নামাজ পড়ার পর হাজিরা মুজদালিফা ত্যাগ করে মিনার দিকে রওনা হন। সেখানে তাঁরা জামারাত আল-আকাবায় (বড় শয়তানকে) প্রথম পাথর নিক্ষেপ করেন।

৫. গ্র্যান্ড মসজিদ (পবিত্র কাবা শরিফ)

১০ ও ১২ জিলহজ: হাজিরা মক্কায় ফিরে আসেন এবং গ্র্যান্ড মসজিদ বা পবিত্র কাবা শরিফের দিকে যান। তাঁরা তাওয়াফ আল-ইফাদাহ (কাবার চারপাশ প্রদক্ষিণ) এবং সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে সাঈ (দৌড়ানো) সম্পন্ন করেন।

৬. মিনা

১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ: হাজিরা তিন দিন ধরে জামারাতের তিনটি স্তম্ভেই (আল-উলা বা ছোট, আল-উস্তা বা মেজ এবং আল-আকাবা বা বড় শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করেন। তাঁরা শয়তানের প্রতীকী তিনটি স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য আগে থেকে সংগ্রহ করে রাখা পাথরগুলো ব্যবহার করেন।

৭. পবিত্র মক্কা

হাজিরা মক্কার দিকে রওনা হন এবং বিদায়ী তাওয়াফ (তাওয়াফ আল-বিদা) সম্পন্ন করেন। এর মাধ্যমেই হজের সমাপ্তি ঘটে এবং হাজিরা চাইলে মক্কা ত্যাগ করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category