• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
Headline
বাগেরহাটে অনুমোদনহীন চিপস খেয়ে অসুস্থ ১২ শিক্ষার্থী, দোকান সিলগালা, ব্যবসায়ীকে জরিমানা টাঙ্গাইলে ভাতিজাকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে চাচার ফাঁসির আদেশ দুর্গাপুরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ১৫ বছরের গবেষণায় একটি নতুন লাল মাংস উৎপাদনকারী মুরগির জাত উদ্ভাবন পাথরঘাটায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, তালগাছে আগুন – আতঙ্কে এলাকাবাসী মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বিএনপির আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল শহীদ মিনারে শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষশ্রদ্ধা, গার্ড অব অনার ভরিতে ৩,৩২৪ টাকা কমল সোনার দাম অনেক দেশের জিডিপি ইলন মাস্কের সম্পদের চেয়ে কম

বাগেরহাটে অনুমোদনহীন চিপস খেয়ে অসুস্থ ১২ শিক্ষার্থী, দোকান সিলগালা, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের রামপালে অনুমোদনহীন চিপস খেয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনিরাপদ খাদ্যপণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় ওই ব্যবসায়ী মনোরঞ্জন মন্ডলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং দোকান সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে বড়দূর্গাপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ওই দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এই আদেশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি।
এর আগে গেল সোমবার(২৯ জুন) দুপুরে বড় দূর্গাপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাশে থাকা মনোরঞ্জন মন্ডলের দোকান থেকে খোলা চিপস ক্রয় করে খায়। এতে ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তাদের চিপসগুলো ডিটারজেন্টের প্যাকেটসদৃশ্য মোড়কে বিক্রি করা হচ্ছিল। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটে ব্যথা, বমি ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকরা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রস্থ মৈত্রী হাসপাতালে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। অসুস্থ্য শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
মৈত্রী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিব রেজোয়ান জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১২ জনের মধ্যে ১১ জনকে মৈত্রী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৈত্রী হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হয়েছে।
বড় দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবাংশু রায় বলেন, দোকানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সবাই এখন সুস্থ্য আছে।
রামপাল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের অসুস্থ্যতার খবরে আমরা তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রশাসনের সহযোগিতায় দোকানটি সিলগালা করা হয়েছে। তবে বাইরের শিক্ষার্থীদেরকে খাবার খাওয়ানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)তামান্না ফেরদৌস বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। দোকানটি সিলগালা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে শিশুদের জন্য অনুমোদিত ও নিরাপদ খাদ্যপণ্য কেনা এবং মেয়াদ ও মান যাচাই করে খাদ্য গ্রহণে সচেতন থাকতে হওয়ারও আহবান জানান এই কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category