• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
Headline
২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে বিক্রি হয়ে গেলো একটি প্যাকেজ টিকিট, যার মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা স্পিডের কারণেই পেনাল্টি মিস করেছেন মেসি! আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে বিতর্কিত রেফারিং, আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিলো ফিফা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে নতুন কোচ রাফায়েল মার্কেজকে নিয়োগ দিল মেক্সিকো মেসির কাছ থেকে উপহারও পাবেন ক্লোসা আর্জেন্টাইন তারকাসহ বিশ্বকাপে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় ১৮ ফুটবলার জয়াকে ঘিরেই ফিরছে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটি ‘কিং’-এর বাজেট ৪৫০ কোটি? নির্মাতার ভিন্ন ইঙ্গিত ‘রামায়ণ’-এর রেকর্ড, এলো ট্রেলার মুক্তির খবরও

বিপৎসীমার ওপর মাতামুহুরী, বন্যায় ডুবছে চকরিয়া—পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

নুরুল ইসলাম সুমন, কক্সবাজার : কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী এলাকায় টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত এক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। একই সঙ্গে পাহাড়ধসের ঝুঁকিও বেড়েছে।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা (১১.৮০ মিটার) অতিক্রম করে ১১.৯৪ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল, যা বিপৎসীমার চেয়ে ১৪ সেন্টিমিটার বেশি। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি, সুরাজপুর, মানিকপুর, কাকারা, লক্ষ্যারচর, ফাঁসিয়াখালী, কৈয়ারবিল, বরইতলী ও হারবাং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা এবং মাতামুহুরী এলাকার পূর্ব বড় ভেওলা ও সাহারবিল ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে এবং গ্রামীণ সড়ক ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
পাহাড়ধসের আশঙ্কায় চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন পাহাড়ের পাদদেশ ও ঢালু এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করছে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোর ফ্লুইসগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে, টানা বর্ষণে চকরিয়া পৌরসভার ভাঙ্গারমুখ উত্তর বিনামারা ও নিজপানখালী এলাকায় মাটি ধসে পিডিবির দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ট্রান্সফরমারসহ হেলে পড়েছে। ফলে গত তিন দিন ধরে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, খুঁটিগুলো যেকোনো সময় উপড়ে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
অন্যদিকে, ফাঁসিয়াখালী থেকে মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স গ্রুপের নির্মিত অপরিকল্পিত মাটির বাঁধের কারণে ফাঁসিয়াখালী ও চিরিঙ্গা ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রামে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পরে চরম দুর্ভোগের মুখে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই বাঁধটি অপসারণ করে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category