• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ রাতেও মিলবে সূর্যের আলো, মহাকাশে বসবে ৫০ হাজার আয়না পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স পরিবেশনা রফতানি ব্যাহত, কারখানায় আগুন: ক্ষতির মুখে পোশাকশিল্প শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালে দুদক চেয়ারম্যানের আকস্মিক পরিদর্শন, রোগীদের নানা অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার-শিক্ষার্থী সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের মিছিল বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ওপর একটি বাজি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আমার মাও আমাকে বলতেন আর কত খাবি: ভারতি সিং

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন : ভারতীয় কমেডি দুনিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ ভারতী সিংহ। মঞ্চে তার প্রাণবন্ত হাসি, নিখুঁত কমিক টাইমিং আর সহজাত উপস্থিতি তাকে দর্শকের ঘরে ঘরে পরিচিত করে তুলেছে। ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ কিংবা ‘কমেডি সার্কাস’-এর মতো জনপ্রিয় শোতে তার পারফরম্যান্স তাকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে।
ভারতি সিংয়ের পর্দায় হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি কোটি মানুষের মন জয় করলেও পর্দার পেছনের গল্পটা ছিল অনেকটা বিষাদময়। বর্তমান সময়ের বডি শেমিং কিংবা শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষের শিকার হয়ে আসছেন একদম ছোটবেলা থেকেই। এমনকি নিজের মায়ের কাছ থেকেও তাকে শুনতে হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত কথা।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভারতি সিং শৈশবের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা খোলাখুলি জানান। ভারতী বলেন, ছোটবেলা থেকেই তাকে শরীর নিয়ে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শুধু সমাজ থেকেই নয়, নিজের ঘরেও এমন মন্তব্য ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। তার ভাষায়, ‘আমার নিজের মা-ও আমাকে বলতেন আর কত খাবি? এবার খাওয়া থামা, নাহলে তো আরও মোটা হয়ে যাবি।’
এই ধরনের মন্তব্য তখন তার কাছে আলাদা কিছু মনে না হলেও বড় হয়ে তিনি বুঝতে পারেন, কাছের মানুষের কথাই একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস সবচেয়ে বেশি ভেঙে দিতে পারে। তিনি জানান, সেই সময় সমাজে শরীর নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করাকে কোনো অপরাধই মনে করা হতো না। কেউ কিছুটা স্থূল হলে সরাসরি ‘মোটা’ কিংবা গায়ের রঙ কিছুটা চাপা হলে অবলীলায় ‘কালো’ বলে ডাকা হতো। এসব মন্তব্যে অপর পাশের মানুষের মনে কতটা গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়, তা নিয়ে ভাবার অবকাশ ছিল না কারও।
ভারতি সিং বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বুঝতে শিখেছেন এই ধরনের মন্তব্য একজন মানুষের মানসিকতায় কতটা গভীর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে শৈশবে পাওয়া এই কথাগুলো অনেক সময় দীর্ঘদিন মনে দাগ কেটে যায়।
কমেডি জগতে এসে তিনি আরও কাছ থেকে দেখেছেন, অনেক সময় হাসির নাম করে কারও শরীর বা চেহারা নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়। তবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, এমন কোনো কনটেন্টের অংশ তিনি হবেন না যেখানে কাউকে ছোট করে হাসির উপকরণ বানানো হয়। আজকের অবস্থানে দাঁড়িয়ে ভারতি সিং শুধু একজন সফল কমেডিয়ান নন বরং আত্মবিশ্বাস ও আত্মগ্রহণের এক অনুপ্রেরণার নাম। শৈশবের কষ্টকে শক্তিতে রূপ দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের শরীর বা অতীত নয়, আত্মমর্যাদাই মানুষকে এগিয়ে নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category