• শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
গাইবান্ধায় কৃষি শ্রমিক সংকট, দুশ্চিন্তায় কৃষক আগামী দুই-তিন দিনের জানা মধ্যেই হামজাদের নতুন কোচের নাম : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী টেকনাফের আশ্রয়শিবিরে গুলিতে আরেক রোহিঙ্গা নিহত আরব আমিরাত থেকে পাকিস্তানের কোন নাগরিকদের বহিষ্কার করা হচ্ছে তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সরবরাহ বাড়লেও রাজধানীর বাজারগুলোতে কমেনি সবজির দাম আদানির বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা তুলে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ ‘রহস্য’ উন্মোচন, বিজ্ঞানীদের গবেষণায় বারমুডার ভূগর্ভে মিলল বিস্ময়কর গঠন ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন লামিনে ইয়ামাল, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে কড়া জবাব স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর

আমার মাও আমাকে বলতেন আর কত খাবি: ভারতি সিং

Reporter Name / ২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

প্রভাত বিনোদন : ভারতীয় কমেডি দুনিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ ভারতী সিংহ। মঞ্চে তার প্রাণবন্ত হাসি, নিখুঁত কমিক টাইমিং আর সহজাত উপস্থিতি তাকে দর্শকের ঘরে ঘরে পরিচিত করে তুলেছে। ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ কিংবা ‘কমেডি সার্কাস’-এর মতো জনপ্রিয় শোতে তার পারফরম্যান্স তাকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে।
ভারতি সিংয়ের পর্দায় হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি কোটি মানুষের মন জয় করলেও পর্দার পেছনের গল্পটা ছিল অনেকটা বিষাদময়। বর্তমান সময়ের বডি শেমিং কিংবা শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষের শিকার হয়ে আসছেন একদম ছোটবেলা থেকেই। এমনকি নিজের মায়ের কাছ থেকেও তাকে শুনতে হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত কথা।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভারতি সিং শৈশবের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা খোলাখুলি জানান। ভারতী বলেন, ছোটবেলা থেকেই তাকে শরীর নিয়ে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শুধু সমাজ থেকেই নয়, নিজের ঘরেও এমন মন্তব্য ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। তার ভাষায়, ‘আমার নিজের মা-ও আমাকে বলতেন আর কত খাবি? এবার খাওয়া থামা, নাহলে তো আরও মোটা হয়ে যাবি।’
এই ধরনের মন্তব্য তখন তার কাছে আলাদা কিছু মনে না হলেও বড় হয়ে তিনি বুঝতে পারেন, কাছের মানুষের কথাই একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস সবচেয়ে বেশি ভেঙে দিতে পারে। তিনি জানান, সেই সময় সমাজে শরীর নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করাকে কোনো অপরাধই মনে করা হতো না। কেউ কিছুটা স্থূল হলে সরাসরি ‘মোটা’ কিংবা গায়ের রঙ কিছুটা চাপা হলে অবলীলায় ‘কালো’ বলে ডাকা হতো। এসব মন্তব্যে অপর পাশের মানুষের মনে কতটা গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়, তা নিয়ে ভাবার অবকাশ ছিল না কারও।
ভারতি সিং বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বুঝতে শিখেছেন এই ধরনের মন্তব্য একজন মানুষের মানসিকতায় কতটা গভীর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে শৈশবে পাওয়া এই কথাগুলো অনেক সময় দীর্ঘদিন মনে দাগ কেটে যায়।
কমেডি জগতে এসে তিনি আরও কাছ থেকে দেখেছেন, অনেক সময় হাসির নাম করে কারও শরীর বা চেহারা নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়। তবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, এমন কোনো কনটেন্টের অংশ তিনি হবেন না যেখানে কাউকে ছোট করে হাসির উপকরণ বানানো হয়। আজকের অবস্থানে দাঁড়িয়ে ভারতি সিং শুধু একজন সফল কমেডিয়ান নন বরং আত্মবিশ্বাস ও আত্মগ্রহণের এক অনুপ্রেরণার নাম। শৈশবের কষ্টকে শক্তিতে রূপ দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের শরীর বা অতীত নয়, আত্মমর্যাদাই মানুষকে এগিয়ে নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category