• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
Headline
আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা ও মানসিক চাপ সামলাতে একা ভ্রমণেই প্রশান্তি: বাঁধা নিয়ম ভেঙে নিজেকে খুঁজে পাওয়া অপরাধস্থলের প্রতিটি চিহ্নের পেছনে যে গল্প ব্রিটিশরা ভারতীয়দের বহু কৃতিত্ব ও সম্পদ নিজেদের পকেটে পুরেছে প্রকাশনা সংস্থায় গোপনে বাড়ছে এআইয়ের ব্যবহার: ক্ষুব্ধ কর্মীরা নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে চাঁদা দাবি , সংসদ সদস্যের দুঃখ প্রকাশ পুলিশের জন্য ৫৮৩০টি যানবাহন কেনার প্রস্তাব, ব্যয় হবে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ফ্রান্সে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা মেসিনা প্রণালি পার হতে ইতালির এই ট্রেনকে ফেরিতে তোলা হয় একই খাবারে বারবার চুবিয়ে খাওয়া কি অস্বাস্থ্যকর? বারবার পপ-আপ বিজ্ঞাপনে বিরক্ত? বন্ধ করবেন যেভাবে

জিয়াউর রহমানকে গুলি করা মেজর মোজাফফর গ্রেফতার, ছিলেন আত্মগোপনে

Reporter Name / ৪৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যায় জড়িত ৪৫ বছর ধরে পলাতক মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও মামলাসংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেন প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। এরপর দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
ডিবি জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট মার্শাল সম্পন্ন করার জন্য তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন।
জানা গেছে, ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা হামলা চালিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেন। এই হত্যাযজ্ঞে সরাসরি অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন অন্যতম। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও মামলাসংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পর তিনিই চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোন করে জানান, ‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিলড’।
হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরবর্তীতে মঞ্জুর নিহত হন। ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেফতার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তখন মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তীসময়ে তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category