• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের কাজ শুরু: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ শ্রমিক নিতে চায় সৌদি আরব নিরাপদ-কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে একমত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বেশি গুরুত্ব দেয় সরকারি অফিসে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কোনো সুযোগ নেই- পানিসম্পদ মন্ত্রী গ্যাসের অভাবে উৎপাদন কম, ছুটি বাড়িয়েছে কিছু কারখানা

নতুন রোগী নেই, আদ-দ্বীন হাসপাতাল ছাড়ছেন ভর্তি রোগীরা

Reporter Name / ১৩৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: লাইসেন্স বাতিলের পর রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়তে শুরু করেছেন ভর্তি রোগীরা। শুক্রবার (১২ জুন) সকালেও কয়েকজন শিশু রোগীকে হাসপাতাল ছাড়তে দেখা যায়। এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছেন প্রায় ১৭৩ জন রোগী। বর্তমানে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় ২৪৩ জন রোগী।
দায়িত্ব অবহেলার কারণে ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরপর হাসপাতাল থেকে রোগী স্থানান্তরের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়া হয়। এরপর থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা অন্যত্র যাওয়া শুরু করে।
এদিকে লাইসেন্স বাতিলের পর থেকে হাসপাতালটিতে নতুন করে কোনো রোগীকে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়নি। তবে আইসিইউ, এনআইসিইউ, এইচডিইউ ও সিসিইউয়ে চিকিৎসাধীন ক্রিটিক্যাল রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
ঈদুল আজহার আগের দিন গত ২৭ মে ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিনই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, তদন্তে হাসপাতালের চরম অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভবনটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়। সংশ্লিষ্ট কক্ষটিতে দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকায় এবং স্বাভাবিক ভেন্টিলেশন না থাকায় অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয় ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। এছাড়া, ৯০০ বর্গফুটের ওই কক্ষে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি (প্রায় ৫০ জন) মানুষের উপস্থিতি ছিল।
তদন্তে আরও উঠে আসে, নবজাতকদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কোনো সক্রিয় ইমার্জেন্সি মেডিকেল রেসপন্স ছিল না। সেখানে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং দায়িত্বরত সেবিকাদের চরম অবহেলা ও অসহযোগিতা ছিল। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ‘মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ অধ্যাদেশ, ১৯৮২’ লঙ্ঘন করায় কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় ওই নোটিশে। শোকজের জবাব সন্তুষ্ট না হওয়ায় লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category