• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
Headline
বাবা ও স্ত্রীর জানাজায় মোজতবার অনুপস্থিতি নিয়ে আবারও গুঞ্জন, বাড়ছে উদ্বেগ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৩৫, পৌঁছাতে পারে ১০ হাজার থেকে ১ লাখে যুদ্ধবিরতির আট মাস পরও গাজায় পড়ে আছে মরদেহ, শিশুদের কামড়াচ্ছে ইঁদুর লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে কোমে খামেনির জানাজা সম্পন্ন ইন্দোনেশিয়াকে ‘অস্ত্র’, ‘ব্রহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে ভারত পুতিন-জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনালাপ: ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধানের খুব কাছাকাছি, বললেন ট্রাম্প পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক গোলকধাঁধাঁর মুখোমুখি বাংলাদেশের তদন্তকারীরা সুদ ব্যবধানে ধাক্কা খাবে দেশের এসএমই খাত উন্নত প্রযুক্তি ও মানসম্মত ইস্পাত উৎপাদনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে চীনের পোশাক বাজারের অংশীদারিত্ব দখল করছে কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম: র‍্যাপিড

নিউইয়র্কের ব্যস্ত জীবনে মেট্রোর ভেতরেই চলে ফুটবল প্রদর্শনী ও নাচ

Reporter Name / ৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস : নিউইয়র্কের জনজীবন খুবই ব্যস্ত। এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে দ্রুত সময়ে ছুটে চলতে মেট্রো নির্ভর অনেকেই। বাংলাদেশের মতো মেট্রোরেলের বগিতে খুব গাদাগাদি হয় না। কোনো লাইনের বগি একেবারে ফাঁকা থাকে। আবার কোনো সময় চাপ পড়লে অনেকে দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করেন।
নিউইয়র্কের মেট্রোরেলে গত কয়েক দিনে বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়েছে। কিছু স্টেশনে মাঝেমধ্যে ফুটবল নিয়ে কসরত করতে দেখা গেছে। উপস্থিত যাত্রীরা সেটা উপভোগও করেন। কসরতের পর টুপি নিয়ে বখশিসের জন্য হাজির হন বিনোদনদাতা ব্যক্তিরা। কেউ ২-১ ডলার করে দেন, কেউবা এড়িয়ে যান।
কখনও একজন কসরত করেন। আবার কখনও একাধিক জন। একবার দেখা গেল গান বাজাচ্ছেন একজন। আরেকজন নাচছেন। নাচটাও ভিন্ন ধরনের। বগির ভেতরের রড ধরে দ্রুত বেগে বেয়ে উঠছেন, শরীর বাঁকিয়ে আবার নামছেন অনায়াসে।
নিউইয়র্কে এক মেট্রো থেকে আরেক মেট্রোরেলের স্টপেজ সাধারণত ২-৩ মিনিট পরপর। কিছু স্টেশনের দূরত্ব ৫ মিনিটের মতো। কসরত ও নাচের ঘটনাগুলো দেখা গেছে যে স্টেশনে সময় একটু বেশি লাগে সেগুলোতেই। কসরতকারীরা ওই স্টেশনগুলোতে উঠে কসরত করে আবার পরের স্টেশনে নেমে যান।
বাংলাদেশের মেট্রো স্টেশনে অফিস টাইমে দাঁড়ানোই দায়। সেখানে নিউইয়র্কের মতো ব্যস্ত শহরে মেট্রোরেলে হয় নানা কসরত। অনেক মেট্রো স্টেশনে গিটার নিয়ে গান করতেও দেখা গেছে। বাংলাদেশি প্রবাসীদের সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি জ্যাকসন হাইটস রুজভেল্ট এভিনিউতে। সেই স্টেশনে কয়েকটি দোকানও রয়েছে।
নিউইয়র্কের মেট্রোরেলে কয়েকটি লাইন। ‘ই’ ও ‘এফ’ এই দুই লাইনে বাংলাদেশি প্রবাসীদের যাতায়াত বেশি। এই লাইনগুলোর ট্রেন অত্যন্ত আধুনিক। প্রতি স্টেশন ও পরবর্তী স্টেশনের নাম ঘোষণা হয়, আবার ডিজিটাল বোর্ডও রয়েছে। কিছু লাইনে আবার কোনো এনাউন্সমেন্ট ও বোর্ড নেই। যাত্রীদের নিজ থেকে ধারণা নিয়ে নামতে হয়। মেট্রোরেলে উঠতে অমনি কার্ড ব্যবহার করতে হয়। প্রায় প্রতি স্টেশনেই অমনি কার্ড মেশিন রয়েছে। সেই মেশিনে নতুন কার্ড কেনা ও পুরাতন কার্ড রিচার্জ করা যায়। যাত্রীরা নিজেরাই অপারেট করেন। প্রতি স্টেশনেই পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা থাকেন। যে কোনো প্রয়োজনে সহায়তা ও নির্দেশনা দেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category