• সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
বাজেট বাস্তবায়ন ও ককাস গঠনে চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তার সাক্ষাৎ পুশইন ঠেকাতে ভারতকে ১২-১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রপ্তানির আড়ালে অর্থপাচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান: সংসদে মন্ত্রী বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার: সংসদে ত্রাণমন্ত্রী বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হচ্ছে: রুমিন ফারহানা দেশে বছরে ময়লার ঝুঁড়িতে ফেলা হচ্ছে ৩৫ লাখ টন খাদ্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বাড়তি বরাদ্দ ইতিবাচক বার্তা ইসলামী ব্যাংকে দুই ঘণ্টার ‘কলম বিরতি’, সেবা কার্যক্রমে স্থবিরতা

পলাশবাড়ীর কালীবাড়ীহাট চামড়ার বাজারে বিক্রেতা আছে, ক্রেতা নেই

Reporter Name / ৫ Time View
Update : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় চামড়ার হাট পলাশবাড়ীর কালীবাড়ীহাট। কোরবানির পর এ হাটে গাইবান্ধা, রংপুর, শটিবাড়ী, দিনাজপুর, জয়পুরহাট এবং কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া নিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা। এ হাট থেকে ঢাকার ট্যানারি মালিকেরা চামড়া কিনে নিয়ে যান। এ বছর ঢাকার ভেতরে গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রংপুরের মিঠাপুরে রামেশ্বরপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম দুই দশক ধরে চামড়া ব্যবসায় জড়িত। তিনি এবার ২০০ গরুর চামড়া কিনে এনেছেন। গত বছর ৫০ হাজার টাকা লোকসান করতে হয় চামড়ায়। এবছর তিনি এক লাখ ৫৪ হাজার টাকার চামড়া কিনেছেন। এবার ক্রেতাই খুঁজে পাচ্ছেন না। ট্যানারির এক প্রতিনিধি অর্ধেক দামে চাচ্ছেন, সেটাও বাকিতে। যদি মালিক লোকসান দেখিয়ে পরে টাকা না দেয়, তাহলে পুরো মুলধন হারাবেন বলে আশঙ্কা করছেন।
রংপুরের শঠিবাড়ীর চামড়া ব্যবসায়ী আনারুল ইসলাম বলেন, ‘২০ বছর ধরে এই হাটে চামড়া ব্যবসা করছি। গত চার বছর ধরে লোকসান হচ্ছে। তারপরও লাভের আশায় চামড়া কিনি। এ বছর ধারদেনা করে চামড়া কিনেছি লাভের আশায়। সরকার যে রেট দিয়েছে, ভাবছি এবার লাভ হবে। কই এবার তো খরচের দামেও নিচ্ছে না। কই থেকে আমি ধারদেনা শোধ করবো?’
ট্যানারি মালিক ও পাইকার না আসায় হাটের ইজারাদার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম নান্নু বলেন, ‘আমরা ট্যানারি মালিকদের আহ্বান জানিয়েছি এখানে এসে চামড়া কেনার জন্য, যাতে চামড়া ব্যবসায়ীরা সঠিক মূল্য পান। এ বিষয়ে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি। প্রান্তিক ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা গত বছরও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এবার সরকারের ঠিক করে দেওয়া মূল্য দিয়ে ট্যানারি মালিকেরা চামড়া কিনবেন বলে আমরা আশা করছি।’
সিএস কোম্পানির প্রতিনিধি শাহিন আলম বলেন, ‘বিদেশে চামড়া রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। গত বছর কোটি কোটি টাকা লোকসান হওয়ায় চামড়া কিনতে আগ্রাহ দেখাচ্ছে না কোম্পানি।’
পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তোফাজ্জ্বল হোসেন চামড়া কেনাবেচার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য না করলেও তিনি জানান, স্থানীয় কোনো সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কি না, তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category