• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
Headline
ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এর শাখা প্রধানদের ব্যবসায়িক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী, কোনো প্রতিনিধিও যাবেন না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায় পাথরঘাটায় ট্রলার থেকে সাগরে পড়ে নিখোঁজ জেলে জীবিত উদ্ধার মেজর লিগ সকারের ম্যাচে মেসি–লেভানডফস্কির উত্তাপ সিপিএলে নেমেই মিরাজের অভিষেকটা হলো স্বপ্নের মতো ইউএস ওপেনে ইয়েলেনা রিবাকিনার দরজায় কড়া নাড়ছে ইতিহাস ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ততায় এখনই হচ্ছে না এইচপির ক্যাম্প অস্ট্রেলিয়া-ভারত সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা ব্রাজিলের নাপোলিকে হারাল আর্সেনাল, ম্যাক-অ্যালিস্টার জেতালেন লিভারপুলকে

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক : চিফ প্রসিকিউটর

Reporter Name / ৫১ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের কিলিং নেটওয়ার্ক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তার জবানবন্দি এখনও চলমান রয়েছে। তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন। অর্থাৎ র‌্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে যাওয়ার পর আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিদের বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।
সাক্ষীর বিবরণ দিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ভারতের লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই হয়তো নিয়ে আসতেন। তারা কোনো দলের বা কোনো বাহিনীর হতে পারে। অর্থাৎ জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল। তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা কি ভারতের নাকি বাংলাদেশের নাগরিক তা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যদকে ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান। এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category