• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
আজকের চাঁদটির নাম ‘হান্টার্স মুন’ ঢাকায় পুলিশের বাধায় প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে পারেননি সংস্কৃতিকর্মীরা হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবি, গ্রেপ্তার করলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি সরকারি বাসায় এডিস মশার লার্ভা মিললে বরাদ্দ বাতিল: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এ বছরেই ১ লাখ দক্ষ আনসারকে বিদেশে পাঠানো হবে: মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রতিরক্ষা সম্মেলনে আমন্ত্রণ আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রকাশ : টিআইবি দুই বছরের মধ্যে জেলা পর্যায়ে ক্যান্সারের রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২ লাখ কোটি ডলারের বাণিজ্য জাপানের, বাংলাদেশের সঙ্গে মাত্র ৩২৮ কোটি আয় বাড়েনি, ব্যয় লাফিয়ে বাড়ছে

রাত হলেই রহস্যময় আলোয় জ্বলে ওঠে সমুদ্র

Reporter Name / ৯৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রকমারি ডেস্ক: দিনের বেলায় সাধারণ নীল সমুদ্র। অথচ রাত নামতেই পানির ঢেউয়ে দেখা যায় রহস্যময় নীলচে আলো। অন্ধকার সমুদ্রের বুকজুড়ে ছোট ছোট আলোর ঝিলিক দেখে মনে হয়, যেন আকাশের তারাগুলো নেমে এসেছে পানির নিচে। পৃথিবীর বিভিন্ন উপকূলে দেখা যায় প্রকৃতির এই অসাধারণ দৃশ্য, যা পর্যটকদের কাছে পরিচিত বায়োলুমিনেসেন্স বা জৈব-আলোকচ্ছটা হিসেবে।
সমুদ্রের পানিতে থাকা বিশেষ কিছু ক্ষুদ্র জীব, বিশেষ করে এক ধরনের প্ল্যাঙ্কটন, আলো উৎপন্ন করতে পারে। পানিতে ঢেউয়ের নড়াচড়া, নৌকার চলাচল কিংবা পায়ের স্পর্শে কখনও কখনও এসব জীব থেকে নীলচে আলো বের হয়। অন্ধকার রাতে এই আলোই সমুদ্রের পানিকে জাদুকরী রূপ দেয়।

অন্ধকারেই দেখা মেলে সবচেয়ে ভালো

এই প্রাকৃতিক আলোর সৌন্দর্য দেখতে সাধারণত রাতের অন্ধকার প্রয়োজন হয়। চারপাশে কৃত্রিম আলো যত কম থাকে, পানির নীলচে ঝিলিক তত স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে। তাই বায়োলুমিনেসেন্ট সমুদ্র দেখতে পর্যটকেরা অনেক সময় নৌকায় করে উপকূল থেকে কিছুটা দূরে যান।
তবে এই আলোর উপস্থিতি প্রতিদিন বা সারা বছর একই রকম থাকে না। পানির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, জোয়ার-ভাটা, আবহাওয়া এবং প্ল্যাঙ্কটনের ঘনত্বসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে কখন ও কতটা আলো দেখা যাবে, তা পরিবর্তিত হতে পারে।

কোথায় দেখা যায় এই আলোর খেলা?

বিশ্বের বিভিন্ন উপকূলে বায়োলুমিনেসেন্সের দৃশ্য দেখা গেছে। মালদ্বীপ, মেক্সিকোর কিছু উপকূল, পুয়ের্তো রিকো, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় এ ধরনের প্রাকৃতিক আলোর জন্য পর্যটকদের আকর্ষণ রয়েছে।

প্রকৃতির এই আলো দেখতে গেলে

বায়োলুমিনেসেন্স দেখতে যাওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় গাইড বা অনুমোদিত নৌভ্রমণ সেবার সহায়তা নেওয়া নিরাপদ। সমুদ্রে রাতে নামার আগে আবহাওয়া ও জোয়ার-ভাটার পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে সামুদ্রিক পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোনও কাজ থেকেও বিরত থাকা জরুরি।
রাতের অন্ধকারে ঢেউয়ের সঙ্গে সঙ্গে নীল আলো জ্বলে ওঠার দৃশ্য নিঃসন্দেহে প্রকৃতির অন্যতম চমক। তবে এই আলোর রহস্য আসলে কোনও অতিপ্রাকৃত ঘটনা নয়। সমুদ্রের ক্ষুদ্র জীবের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়াই তৈরি করে এই অপূর্ব আলোকচ্ছটা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category