• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
Headline
গ্রেডিং ব্যবস্থা নেই রিক্রুটিং এজেন্সির, যাচাইয়ে বিদেশ গমনেচ্ছুদের ভোগান্তি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীর নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ ১ লাখ ৫৫ হাজার : প্রতিমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও সদরের ইউএনও’র প্রত্যাহার ও বিভাগীয় শাস্তি দাবি ১১ দলের ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ, মাঠে থাকবে এসআরবি দক্ষ শ্রমিক তৈরি করে বিদেশ পাঠাবো: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ‘স্বাস্থ্য খাতে এমন পরিবর্তন আসবে, যাতে একটা রোগীকেও ভারতে যেতে না হয়’ চালকের আচরণ ও ফিটনেসের কথা বললে গাত্রদাহ হয়: সড়কমন্ত্রী আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরে ড্যাব নেতার পদ স্থগিত সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর

লিবিয়া থেকে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ১৭১ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি

Reporter Name / ২১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে এবং লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবাসনেচ্ছুক ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে ত্রিমুখী এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরিয়ে আনা হয়।
জানা গেছে, প্রত্যাবাসিত এই বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় অপরাধ চক্রের হাতে অপহরণ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মর্মে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সকালে বিমানবন্দর পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিবিয়ার এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা ও ভয়াবহতার কথা নিজ নিজ এলাকার মানুষের সাথে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, আইওএম-এর পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেক নাগরিককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের সুব্যবস্থা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category