• বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
Headline
মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবি- খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের পিরোজপুরের জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল অনুষ্ঠিত গৌরীপুরে এক্সিম ব্যাংকের ঋণ খেলাপির মামলায় দ্বীন ইসলাম আটক আনচেলত্তির ‘কঠিন শর্তে’ রাজি হয়েই বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছেন নেইমার ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল সিটি ছাড়ার প্রশ্নে গার্দিওলা বললেন, চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে হবে কবজির চোটে উইম্বলডনেও নেই আলকারাজ ইবোলা নিষেধাজ্ঞার পরও কঙ্গোর ফুটবলারদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি বিশ্বকাপ সম্প্রচারে এখনও ভারতের সঙ্গে চুক্তি হয়নি, এবার তারা কী করবেন? হাসপাতালে ভর্তি অমিতাভ খবরটি ছিল গুজব

জাতীয় দল ছেড়ে এইচপিতে প্রধান কোচ হচ্ছেন সালাহউদ্দীন

Reporter Name / ২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: ৮ মে শুরু দুই টেস্টের পাকিস্তান সিরিজই জাতীয় দলের সঙ্গে আপাতত তাঁর শেষ অ্যাসাইনমেন্ট। গুঞ্জন সত্যি করে জাতীয় দলের প্রধান সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন এরপরই যোগ দেবেন বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগের প্রধান কোচ হিসেবে।
প্রস্তাবটা যেমন বিসিবির দিক থেকে ছিল, একইভাবে সালাহউদ্দীনও মনে করছেন, জাতীয় দলকে আপাতত তাঁর তেমন কিছু দেয়ার নেই। এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণদের নিয়ে এইচপিতে ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই নিজের জন্য ভালো হবে। নতুন দায়িত্ব নিয়ে কাল বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে ছোটখাটো একটা মিটিংও হয়েছে সালাহউদ্দীনের।
২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচের দায়িত্ব পান সালাহউদ্দীন। বিসিবির সঙ্গে তাঁর বর্তমান চুক্তির কার্যকাল ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। পাকিস্তান সিরিজের পর এইচপির প্রধান কোচের পদে যোগ দিলেও সালাহউদ্দীনের চুক্তির মেয়াদ আপাতত ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্তই থাকবে। এইচপির বর্তমান প্রধান কোচ ডেভিড হেম্পকে দেয়া হবে অন্য দায়িত্ব।
জাতীয় দল ছেড়ে এইচপির দায়িত্বে কেন আগ্রহী হলেন, জানতে চাইলে কাল মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে সালাহউদ্দীন এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘এইচপিতে যারা থাকবে, তাদেরকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। খেলার পাশাপাশি তাদের ক্রিকেটীয় চিন্তাভাবনা আর জীবনযাপন প্রণালিতেও উন্নতি আনাটা জরুরি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে আমি এ ধরনের কাজ আগেও করেছি। তাই আমার মনে হয়েছে, ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই আমি ভালো করতে পারব। বিসিবিও সেভাবেই চিন্তা করেছে।’
গত দেড় বছর জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করায় জাতীয় দলের কোথায় ঘাটতি, সেখানে কী ধরনের ক্রিকেটার প্রয়োজন; সে ব্যাপারেও তাঁর ভালো ধারণা জন্মেছে। এইচপির দায়িত্ব নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই সেই কাজটা করতে চান, ‘জাতীয় দলের প্রয়োজনটা আমি এখন আরও ভালো করে বুঝি। যেমন সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের একজন ভালো অলরাউন্ডার দরকার, যে বোলিংয়ের পাশাপাশি ৭–৮ নম্বরে নেমে নির্ভরতা দিতে পারবে। এই ঘাটতিটা আমাদের থেকেই যাচ্ছে। এইচপিতে শুরু থেকেই আমার এ ধরনের ক্রিকেটারদের দিকে দৃষ্টি থাকবে।’
অনূর্ধ্ব–১৯, এইচপি, বাংলাদেশ টাইগার্স, জাতীয় দল—কয়েক বছর ধরে এই কাঠামোতেই চলছে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিসিবির কার্যক্রম। এবার সেখানেও আসবে পরিবর্তন। কাঠামোতে বাংলাদেশ টাইগার্স আর থাকছে না, যোগ হবে অনূর্ধ্ব–২৩ দল। যেটি কাজ করবে অনূর্ধ্ব–১৯ আর জাতীয় দলের মধ্যে সিঁড়ি হিসেবে। আর এইচপিতে নিচের দিক থেকে যেমন ক্রিকেটাররা উঠে আসবেন, প্রয়োজনে জাতীয় দল থেকেও ক্রিকেটার এখানে আসবেন বিশেষায়িত অনুশীলনের জন্য।
নিজের চিন্তাভাবনাও এরই মধ্যে গুছিয়ে নিয়েছেন সালাহউদ্দীন, ‘তিন–চার মাসের ক্যাম্প করে লাভ নেই। এইচপির কার্যক্রম সারা বছর ধরে চলবে। ক্রিকেটাররা যেন এখান থেকে বিশেষ কিছু শিখে ওপরে উঠতে পারে, সেটাই থাকবে এইচপির মূল উদ্দেশ্য।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category