• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
Headline
ন্যাম ভবন থেকে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার আলাদা ইসলামিক দেশ গঠনের আগ পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা থাই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মক্কা চুক্তির আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের সৌদির অধীনে হুথিদের বিরুদ্ধে বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আঞ্চলিক দেশগুলো সৌদি আরব–হুতি সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি মস্কোতে ইউক্রেনের বিশাল ড্রোন হামলা ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতা ফেরাতে রাষ্ট্র ও ধনিক গোষ্ঠীর যোগসূত্র ছিন্ন করতে হবে: মাহবুব উল্লাহ সরকারি চাকরিতে গাড়িসুবিধা ছাড়া সর্বোচ্চ বেতন হবে প্রায় আড়াই লাখ টাকা উচ্চশিক্ষিত নারীদের মাত্র ৫ শতাংশ কাজ করেন প্রয়াত উদ্যোক্তা সৈয়দ মনজুর এলাহীর পৌনে ৩১ লাখ শেয়ার পেলেন ছেলে-মেয়ে

ত্রিশালে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে একাধিক পরিবার নিঃস্ব

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, ত্রিশাল: ‎ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১১নং মোক্ষপুর ইউনিয়নের বেপারী বাড়ির ওয়াইজ উদ্দিনের ছেলে মাইন উদ্দিন(৪০) নামের এক আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে একই এলাকার কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ত্রিশাল থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে ভূক্তভোগী দুটি পরিবার।
‎ভুক্তোভোগীরা হলেন উপজেলার একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ সাঈম মিয়া, মোঃ তাইজুল ইসলামের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম(২৬)সহ এলাকার অনেকেই নিঃস্ব হয়েছেন। এদের প্রত্যেকের কাছে থেকে প্রতারণা করে বিপুল পরিমাণ টাকা মাইন উদ্দিন আৎসাত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ওই পরিবারের দুইজন ভুক্তভোগী ত্রিশাল থানায় অভিযুক্ত আদম ব্যবসায়ী মোঃ মাইন উদ্দিন(৪০), আবুল কালাম ওরফে কালু (৩২) ও সেলিম মিয়ার (৩৫) নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলামের ছেলে সাঈম মিয়া অভিযুক্ত মাইন উদ্দিনের মাধ্যমে দুবাই যান। এ জন্য মাইন উদ্দিনকে তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও ৭০ হাজার টাকা বকেয়া ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। রফিকুল ইসলামের দাবি, দুবাই যাওয়ার পর ২১ মাসের মধ্যে তাঁর ছেলে মাত্র পাঁচ মাসের বেতন পেয়েছেন। বাকি ১৬ মাসের বকেয়া বেতন চাইলে তাঁর ছেলের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে তাঁর ছেলের পাসপোর্ট ও ইকামাসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
‎আরেক ভুক্তভোগী মোঃ শহীদুল ইসলামের অভিযোগ সূত্রে জানা, আমাকে সৌদি আরব ভালো বেতনের কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে আমাকে সৌদি আরব পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমি জানতে পারি। আমি সেখানে অবৈধ অভিবাসনের ফলে সৌদি আরব সিআইডি পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। এখন আমি নিঃস্ব হয়ে কোন রকম বেঁচে আছি। মাইন উদ্দিন দালাল আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে। আমি সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।
‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, সংবাদ কর্মী মাইন উদ্দিনের বাড়িতে গেলে। তিনি সংবাদ কর্মীর আসার খবর শুনে বাড়ি থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।
‎ত্রিশাল থানা অফিসার ইনচার্জ মুনসুর আহাম্মদ বলেন অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category