• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
Headline
নীতা আম্বানীর পোশাকে ১৫ কোটির ফড়িং! তৈরিতে লেগেছে ১০ বছর হোমনায় যৌতুকের টাকার চাপ, গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল পিরোজপুরকে মাদকমুক্ত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সর্বস্তরের সহযোগিতার আহ্বান নেতানিয়াহুর সঙ্গে জোট নয়, ট্রাম্পের অনুরোধেও অনড় আইজেনকট যুদ্ধবিরতি শেষে রাশিয়ার হামলা, ইউক্রেনে নিহত ২৬ ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা থাইল্যান্ডে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ, পর্যটকদের ভিসার মেয়াদ কমানোর দাবি মণিপুর সহিংসতায় বিজেপি সরকারের ব্যর্থতা: কংগ্রেস তিন দশক পর নিউইয়র্কে হামে শিশুর মৃত্যু, জরুরি অবস্থা জারি

নদী-খাল খননে ছয় মাসে কাজ শেষ, দাবি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

Reporter Name / ২৪ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, বগুড়া : এসপি ঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগের ছয় মাসের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতিমধ্যে ১০০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে বগুড়ার করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নদীতীর প্রতিরক্ষা ও পুনঃখননকাজের জন্য এসপি ঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বগুড়ার করতোয়া, গজারিয়া ও ইছামতী নদী পুনঃখননের জন্য ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৯৪ কিলোমিটার নদী ও ৬ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীগুলোর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরবে এবং নান্দনিকতা বাড়বে। এতে বগুড়া শহরের সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকা, বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নদীর দুই পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বগুড়ার মানুষ নতুন এক শহর দেখতে পাবেন।
নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কোন নদী থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে আর কোনটি থেকে যাবে না, তা নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের তৈরি তালিকা জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, যেসব নদী থেকে বালু উত্তোলন করলে নদীভাঙন বা সরকারি অবকাঠামোর ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, সেসব নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ক্ষতির আশঙ্কা না থাকলে নিয়ম মেনে বালু উত্তোলনের সুযোগ থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category