• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
Headline
শীর্ষস্থানের কোনো মানে নেই, চ্যাম্পিয়ন হবে শুধু একটি দল : পিএসজি কোচ মাঠে ফুটবলারের মৃত্যুতে সমবেদনা জানালেন মেসি-এমবাপে মানুষের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ এন্ড্রু কিশোর নিজের সাক্ষাৎকার নিয়ে এক অদ্ভুত অস্বস্তির কথা জানালেন শবনম ফারিয়া চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিমের সিনেমা প্রতি সম্মানী এখন ১৫ লাখ টাকারও বেশি বলিউডে চার দশক পার করলেন অভিনেত্রী টাবু বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে নতুন ব্যাংক ডাকাতির গল্প ‘কলিশন কোর্স’ মান্নাত থেকে ‘কিং’, যেভাবে বলিউডে গাইলেন এড শিরান মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, চাপে ট্রাম্প গাজীপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারশেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

বন্দর পরিচালনায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না: নৌপ্রতিমন্ত্রী

Reporter Name / ৫৮ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, যশোর: দেশের সব বন্দরকে রাজনৈতিক বলয়মুক্ত করে সুস্থ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। তিনি বলেন, বন্দর পরিচালনায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না। প্রকৃত ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কোনো পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি বা প্রটোকল ছাড়াই হঠাৎ বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বন্দরের বিভিন্ন শেড ঘুরে দেখেন এবং পণ্য সংরক্ষণ ও খালাস কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্দরের কার্যক্রম, বিদ্যমান সমস্যা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থলবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বন্দরে এক ধরনের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কর্তৃত্ব রয়েছে। এর ফলে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা অনেক সময় স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন না। সরকার এ পরিস্থিতির পরিবর্তন চায়। প্রকৃত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে বন্দর পরিচালনা করা হবে। তিনি বলেন, বন্দর কোনো রাজনৈতিক বলয়ের জায়গা নয়। দেশের অর্থনীতিতে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বন্দরে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু অবকাঠামোর উন্নয়ন করলেই হবে না। বন্দরের সেবার মান, পণ্য খালাসের গতি, ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে সেবা পান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। বন্দরের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বেনাপোল বন্দরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে এ স্থলবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বন্দরটির গুরুত্ব অনেক। তাই সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ী, আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তাদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে শুনে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। কোনো অনিয়ম, প্রভাব বা স্বার্থের কারণে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, বেনাপোল বন্দরের উন্নয়নের সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের একটি বড় অংশ জড়িত। বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বন্দরের উন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
এ সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মাসুম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category