• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
Headline
অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে কচুয়ায় যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল টাঙ্গাইলে টিউবওয়েলের পানি পান করে ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ তিতাসে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মামা -ভাগিনার মধ্যে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত-১০ তিতাসের ৯টি ইউনিয়নের প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ ম্যাচ বাকি থাকতেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা গোল করেই তাঁর দিকে ছুটলেন মেসি, কে এই সাংবাদিক মেসির ২ ম্যাচে ৫ গোল, আমার ২ বিশ্বকাপে শূন্য : ইব্রাহিমোভিচ অস্ট্রিয়াকে হারানার দিনে মেসির অবিশ্বাস্য চার রেকর্ড হলান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে বজ্রপাতের আগে-পরে সেই একই এমবাপ্পে, ফ্রান্সও নকআউটে

বাজার নিয়ন্ত্রণে ডিসিদের নজরদারি বাড়াতে বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহায়তা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের কাছে আমরা একটি জিনিস চেয়েছি, তা হলো আগামীদিনে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য তারা যেন নজরদারি বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখেন। সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এর আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের অধিবেশন হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার উভয়ে সমন্বিতভাবে এসব পদক্ষেপের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে কীভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায়, এ অধিবেশনে সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বাজারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় তো আছেই। যেমন— উৎপাদক পর্যায়ের মূল্য এবং খুচরা বাজারের মূল্যের মধ্যে, বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে বড় একটা গ্যাপ (পার্থক্য) থাকে। আরেকটি বিষয় হলো, এই বাজার ব্যবস্থাপনার জন্য গত ৫০-৫৫ বছরে কোনো সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, আমরাই এই সরকারে প্রথম উদ্যোগ নিচ্ছি, যেন আমদানি পর্যায় থেকে শুরু করে একদম খুচরা পর্যায়ে বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সাপ্লাই চেইনটিকে (সরবরাহ ব্যবস্থা) একটি এআই জেনারেটেড মডেলের অধীনে নিয়ে আসা যায়। এমন একটি মডেল তৈরি করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে আমরা সারাক্ষণ বাজার পর্যবেক্ষণ করতে পারবো।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের যেসব পণ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল, সেসব পণ্যের একটি স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ (কৌশলগত মজুত) তৈরি করার প্রকল্প আমরা নিতে যাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের পর্যাপ্ত স্টোরেজ বা সংরক্ষণের সুবিধা নেই। তিনি বলেন, আমরা এমন ব্যবস্থা করতে চাই, যাতে গুটি কয়েক লোকের ওপর আমাদের নির্ভর করতে না হয়। যে কোনো ধরনের দুর্যোগে সরকারের কাছে তেল-চিনির মতো আমদানি নির্ভর পণ্যগুলো যেন এক-দুই মাসের মজুত থাকে। তাহলে বাজারেও কেউ সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়াতে পারবে না।
মন্ত্রী বলেন, আমি শুধু সিন্ডিকেটের কথা বলছি না, সবকিছু যে সিন্ডিকেটের কারণে হয়, তাও নয়। বাজার ব্যবস্থার অসামঞ্জস্যের কারণেও অনেক সময় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। এসব সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ, স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ তৈরি এবং একটি সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার মতো আমাদের আগামীদিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের সংক্ষেপে ধারণা দিয়েছি।
এসময় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আরও জানান, সরকার সব বস্ত্র ও পাট কারখানা বেসরকারি উদ্যোগকে ছেড়ে দিতে চায়। এজন্য আজ সকালেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক হয়েছে। আমাদের ২৫টি বস্ত্র ও ২৫টি পাটকল আছে। কিছু মিল এরই মধ্যে ইজারা দেওয়া হয়েছে, অন্যান্য মিলগুলো দ্রুতই দেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category