• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
ঢাকায় ফুটবল খেলে নিরাপদ ভারত এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ রাতেও মিলবে সূর্যের আলো, মহাকাশে বসবে ৫০ হাজার আয়না পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স পরিবেশনা রফতানি ব্যাহত, কারখানায় আগুন: ক্ষতির মুখে পোশাকশিল্প শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালে দুদক চেয়ারম্যানের আকস্মিক পরিদর্শন, রোগীদের নানা অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার-শিক্ষার্থী সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের মিছিল

রাজশাহীর বাজারে বেড়েছে শসা, বেগুন ও কাঁচা মরিচের দাম

Reporter Name / ১০৯ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, রাজশাহী: রাজশাহীর বাজারে বেড়েছে শসা, বেগুন ও কাঁচা মরিচের দাম। সবজি ছাড়াও মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারেও স্বস্তি নেই। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচ হচ্ছে ক্রেতাদের। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে নগরীর সাহেববাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, শসা ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৫০-১৭০ টাকা, করলা ৫০, আলু ২০-২৫, পেঁয়াজ ৪৫-৫০, পটল ৪০, ঢেঁড়স ৪০-৫০, বেগুন ১০০, ফুলকপি ৬০-৭০, ঝিঙা ৫০, চিচিঙ্গা ৪০-৫০, বরবটি ৮০, কচুর লতি ৮০, কাঁচা পেঁপে ২৫ এবং মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাঁচকলা প্রতি হালি ৩০ টাকা, ওল ৬০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৩০ টাকা এবং চালকুমড়া ৪০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে গাজর ১৪০ টাকা ও টমেটো ১৪০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আদা ১৮০ টাকা, নাটোরের রসুন ৮০ এবং দেশি রসুন ১৬০-১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের দামেও গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।
ডিমের বাজারেও বাড়তি দাম অব্যাহত রয়েছে। দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫-৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০ টাকা, ফার্মের লাল ডিম ৪৮-৫০ টাকা এবং সাদা ডিম ৪৪-৪৬ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুরগির মধ্যে ব্রয়লার ১৮০-২০০ টাকা, সোনালি ২৭০-২৮০, দেশি মুরগি ৫৫০, সাদা লেয়ার ২৯০, লাল লেয়ার ৩৪০, ফাউমি ৩৩০ এবং হাঁস ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারেও দেখা গেছে চড়া দাম। রুই ২৭০-৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০-৩৫০, তেলাপিয়া ১৭০-২১০, পাঙাশ ১৮০-২০০, চাষের কৈ ২০০-২২০, চাষের শিং ৩০০-৩৫০, টেংরা ৬০০-৭০০, বোয়াল ৬৫০-৮০০, চিংড়ি ৬৫০-৯০০, কোরাল ৭৫০, দেশি কৈ ৮০০-১০০০ এবং দেশি শিং ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে রাজশাহীর বাজারে কয়েকটি সবজির দাম বাড়লেও অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম গত সপ্তাহের মতো স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাড়তি দামের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের বাজার খরচে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় গাড়ির পার্কিং খরচ বেড়েছে। এছাড়াও রাজশাহীতে বন্যা হওয়ায় অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সবজির
সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাজার দরে। বিশেষ করে শসা, কাঁচা মরিচ ও বেগুনের দাম বেড়েছে বলে জানান তারা।
সবজি বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কম। বিশেষ করে বেগুন, শসা ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
বাজার করতে আসা কামরুন্নাহার স্মৃতি বলেন, ‘আগের তুলনায় সবজি কিনতে এখন বেশি টাকা লাগছে। যে সবজি কিছুদিন আগেও ৩০-৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, এখন অনেক ক্ষেত্রেই ৫০-৬০ টাকা দিতে হচ্ছে। মাছ ও ডিমের দামও কমছে না।’
নগরীর একটি মেসে থাকা শিক্ষার্থী তানভীর হাসান বলেন, ‘আমাদের প্রতিদিনই বাজার করতে হয়। কয়েক সপ্তাহ আগে তুলনামূলক কম দামে সবজি পাওয়া যাচ্ছিল। এখন আবার কিছু সবজির দাম বেড়েছে। বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এমনটা হতে পারে।’
ডিম ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গত সপ্তাহের ন্যায় চড়া দামে এ সপ্তাহেও ডিম বিক্রি হচ্ছে। সাদা ডিম ৪৪-৪৬ এবং লাল ডিম ৪৮-৫০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা পর্যায়ে দাম আরও কিছুটা কম বেশি হতে পারে।’
মাছ ব্যবসায়ী রায়হান কবির বলেন, ‘এ সপ্তাহে মাছের দাম কমেনি। নদীতে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, এছাড়াও চাষের মাছ বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব মাছের বাজারে পড়েছে বলে জানান তিনি।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category