• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে তিন বছর ধরে বর্ষায় চারা রোপণ ও বিতরণ করছেন শাহিন গাজী, এবারও দিলেন ৭ শতাধিক রিয়েলমির নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন সি১০০এক্সে ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিং সুবিধা নাজিরপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত তৃণমূল নারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও সিড মানি দেওয়া হচ্ছে : মন্ত্রী প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়নি : ববি হাজ্জাজ সরকার মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বললেও কাজে দেখি ‘সবার পরে বাংলাদেশ : আনু মুহাম্মদ আমি মাঝেমধ্যেই চলে আসবো, কেউ জানতে পারবেন না: আফরোজা খানম হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই মিলবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার উগ্রবাদ-সহিংসতা মোকাবিলায় গবেষণা কাজে লাগানোর আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

সিলেটে ৩ জনকে একাই হত্যা, সিসি ক্যামেরায় ‌ধরা পড়েলো খুনি

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, সিলেট : সিলেট নগরের মিতালী আবাসিক এলাকায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকাল ৩টার তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বাকীর করেছেন। তিনি একাই তিন জনকে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার রাতে এসব তথ্য জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
এর আগে সকালে নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। বাসার ভেতরে ঢুকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে কুপিয়ে এবং গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন- ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনা আক্তার (২০)। গৃহকর্মী তাহমিনা নগরীরর জল্লারপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফতাব মিয়ার মেয়ে।
বুধবার সন্ধ্যায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ওই বাসায় রংমিস্ত্রির কাজ করতেন বাবুল মিয়া। ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, ওই বাসায় রংমিস্ত্রির কাজ করতেন। সেই সুবাদে কাজের মেয়ে তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার আগে সকাল ৯টার দিকে বাসার দোতলায় প্রবেশ করেন। এরপর কাজের মেয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। তিনি বলেন, ‘এরপর কাজের মেয়ের সঙ্গে রান্নাঘরে যায় বাবুল। তখন তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় ছুরিকাঘাতে কাজের মেয়েকে হত্যা করে। চিৎকার শুনে আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে। স্ত্রীর চিৎকারে আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তাকেও হত্যা করে বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যায়।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ৯টার দিকে বাসার ভেতর থেকে চিৎকার শোনেন প্রতিবেশীরা। পরে আর কোনও সাড়াশব্দ পাননি তারা। সকাল ১০টার দিকে ১১১ নম্বর বাসার দোতলার বারান্দায় রক্ত দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং তিন জনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
বুধবার রাতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, মূলত বাসার সিসিটিভির ফুটেজ দেখেই খুনিকে শনাক্ত করতে পেরেছে পুলিশ। তখন বাসার সিসিটিভির ফুটেজের কথা গোপন রাখা হয়েছিল, কারণ এতে করে খুনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতো। বাসার তিনটি কক্ষে তিনটি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। এর মধ্যে একটির সিসিটিভির ক্যামেরা অকেজো করে দিয়েছিল খুনি। বাকি দুটির ফুটেজ দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়েছে। ওই ফুটেজের সূত্র ধরেই ৬ ঘণ্টার মধ্যে বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category