• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
Headline
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কল্যাণ প্যারেড: স্বতন্ত্র পে-স্কেল, ঝুঁকি-ওভারটাইম ভাতা চায় পুলিশ পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মানুষের আনন্দ ও ব্যক্তিগত আয়োজনের প্রতি সম্মান জানিয়ে , দলীয় কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করলেন তারেক রহমান আরটিভির সম্মাননা পেলেন স্বপ্নজয়ী মায়েরা বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে ভালো সম্পর্ক হবে না : রিজভী ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করবে দক্ষিণ সিটি সাংবাদিককে হয়রানিমূলক গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন এআই’র যুগে সন্তানদের নৈতিকভাবে মানুষ করাই বড় চ্যালেঞ্জ : সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন : নজরুল ইসলাম খান ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটা নিরাপদ

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: স্মার্টফোনে ব্লুটুথ সবসময় চালু রাখা সাধারণ একটি অভ্যাস মনে হলেও এর সঙ্গে কিছু বাস্তব নিরাপত্তা ঝুঁকি জড়িয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে হেডফোন, স্মার্টওয়াচ, গাড়ির সিস্টেম বা ফাইল আদান-প্রদানের মতো বিভিন্ন কাজে ব্লুটুথ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে প্রয়োজন শেষে এটি বন্ধ না করলে ব্যক্তিগত তথ্য, ডিভাইস এবং সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। প্রথমত, ব্লুটুথ সবসময় চালু থাকলে আপনার ডিভাইস অন্যদের কাছে ডিসকভারেবল বা দৃশ্যমান হয়ে থাকতে পারে। এতে আশেপাশে থাকা কোনো হ্যাকার সহজেই আপনার ফোন শনাক্ত করতে পারে। তারা বিশেষ কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনার ফোনে অননুমোদিতভাবে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে, যাকে বলা হয় ব্লুটুথ হ্যাকিং।
দ্বিতীয়ত, ব্লুটুথ চালু থাকলে ডিভাইস থেকে নিয়মিত সিগন্যাল বের হয়, যা ব্যবহারকারীর অবস্থান ট্র্যাক করতেও কাজে লাগানো যেতে পারে। শপিং মল বা পাবলিক প্লেসে কিছু ট্র্যাকিং সিস্টেম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ফলে আপনার অজান্তেই কেউ আপনার চলাফেরার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
তৃতীয়ত, অপরিচিত ডিভাইসের সঙ্গে ভুলবশত কানেক্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। অনেক সময় হ্যাকাররা এমন নাম ব্যবহার করে যা দেখে ব্যবহারকারী বিভ্রান্ত হয়ে কানেক্ট করে ফেলেন। একবার সংযোগ হয়ে গেলে তারা আপনার ফোনের কিছু অংশে প্রবেশাধিকার পেতে পারে।
চতুর্থত, ব্যাটারির ওপরও এর প্রভাব পড়ে। যদিও আধুনিক ব্লুটুথ অনেক কম শক্তি ব্যবহার করে, তবুও অপ্রয়োজনে চালু থাকলে তা ধীরে ধীরে ব্যাটারি ক্ষয় করে।
তবে এর মানে এই নয় যে ব্লুটুথ ব্যবহারই করা যাবে না। বরং সচেতন ব্যবহারই এখানে মূল বিষয়। কিছু সহজ অভ্যাস আপনাকে নিরাপদ রাখতে পারে-
ব্যবহার না করলে ব্লুটুথ বন্ধ রাখা উচিত। ডিভাইসকে নন-ডিসকভারেবল বা লুকানো অবস্থায় রাখলে অনাকাঙ্ক্ষিত সংযোগের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া অচেনা কোনো ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট না করাই নিরাপদ। ফোনের সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখলে নিরাপত্তা ত্রুটি অনেকাংশে কমে আসে। পাশাপাশি পাবলিক স্থানে ব্লুটুথ ব্যবহার করার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category