• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
Headline
বিমানবন্দরে গিয়ে নারী জানতে পারেন, তাঁর ভিসায় আরেকজন ইতালি চলে গেছেন আটক রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌ-প্রধানের সাক্ষাৎ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিটসহ বিশেষ সুবিধা যুক্ত করা হবে : বিমান মন্ত্রী শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, সঠিক ব্যবহার শেখাতে হবে: ববি হাজ্জাজ মধ্যস্থতায় মামলা ৬২% কমেছে, এক বছরে বিচার বিভাগে আশার আলো দেখা যাবে : আইনমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের কাজে অসন্তুষ্ট হলে মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা যে কারনে ভাইরাল বিটিএস তারকা জিমিন

আদাবরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে অপহরণ, চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: রাজধানীর শ্যামলী এলাকায় অপহরণ ও ছিনতাই চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, চক্রটি সাদমান সাকিব নামের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীকে জিম্মি করলে ভুক্তভোগী পুলিশের পেট্রোল টিম দেখে চিৎকার দেয়। এ সময় অপহরণ চক্রের বাকী সদস্যরা পালিয়ে গেলেও চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (৩ জুন) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম এসব কথা জানান।
গ্রেপ্তাররা হলো- জাহিদ হোসেন (২০), হোসাইন আহম্মদ ওরফে সিফাত (২৫), ইয়াছিন ওরফে আজমান (২৭), আরিফুল ইসলাম (২৩), মাহিম চৌধুরী আকাশ (২০), সাকিব (২৪), সোহেল রানা (২৪), মো. নাঈম (২৩), মো. মর্তুজা তামিম (২৬)।
মো. ফজলুল করিম বলেন, আদাবর এলাকায় বেশ কিছুদিন যাবৎ আমরা কিছু ঘটনার সংবাদ পাচ্ছি। কাউকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা। বেশকিছু দিন আগেও আমরা মোহাম্মদপুর থানা কতৃক একটা চক্রকে গ্রেপ্তার করেছি।
সাদমান সাকিব রাত ১১টার দিকে শ্যামলী বাসস্টান্ড এলাকায় আসে। আসার পর তিন থেকে চারজন দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে তাকে অপহরণ করেছে। পরে তাকে সরু গলির মধ্যে নিয়ে তার কাছে যা ছিল (মোবাইল, টাকা পয়সা, মানিব্যাগ) সব নিয়েছে। এরপর তার পরিবারের কাছে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এই ঘটনার ওই গলির মধ্যেই তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল।
শ্যামলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় আমাদের টহল পুলিশ বেশিরভাগ সময় টহল দিয়ে থাকে। এই টহল পুলিশকে দেখে তারা যে চাকুটা বের করেছিল সেটা লুকিয়ে ফেলে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী যিনি ছিলেন তিনি পুলিশের গাড়ি দেখে সাহস পান। সঙ্গে সঙ্গে সে চিৎকার করে। তখন আমাদের টহল পুলিশ যারা ছিল তারা তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে যাই। পুলিশদের আসতে দেখে তখন আসামী জাহিদ ছাড়া বাকি সবাই পালিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে জাহিদকে আটক করতে সক্ষম হই আমরা। এরপর তাকে থানায় নিয়ে আমরা ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং তার দেওয়া তথ্য মতে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করি। এরপর আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় চক্রের মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চক্রটি মোহাম্মদপুর আদাবর এলাকায় বিশেষ করে ভোরের দিকে যখন ব্যবসায়ীরা টাকা পয়সা নিয়ে বিভিন্ন মালামাল আনতে যায় তখন এদেরকে টার্গেট করতো। বিশেষ করে একা যারা থাকতো তাদেরকে টার্গেট করে অপহরণ করতো। এর মধ্যে মূল মাস্টারমাইন্ড জাহিদ। জাহিদসহ আরও দুই আসামির নামে দুইটা করে মামলা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা হয়েছে। এই ৯ জনের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে আসবো এবং এর সঙ্গে আরও কোন চক্র আছে কিনা, তারা আর কোথায় কোথায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে, কোনো ভুক্তভোগী আছ কিনা আমরা সেটাও দেখার চেষ্টা করছি। গ্রেপ্তার এই চক্রটি ভুক্তভোগীর মোবাইলের মাধ্যমে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগীর বিকাশের মাধ্যমে টাকা এনে সেন্ড মানি বা কোন এজেন্টের কাছ থেকে ক্যাশআউট করে ভুক্তভোগীকে ফেলে দিয়ে চলে যেতো বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category