• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
ডেভিড ইমনের চাঁদার টাকা সংগ্রহের জন্য ছিল এলাকাভেদে পৃথক ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ঢাকার অনুরোধ খতিয়ে দেখছে দিল্লি চূড়ান্ত হলো ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১২টি আয়োজক শহর ৯৬টি দেশ বিপক্ষে দাঁড়ানোর পর ফিফা বলল, ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না’ উয়েফার হুমকিতে প্রভাব পড়তে পারে ফিফার বেশ কয়েকটি বড় টুর্নামেন্টে ইতালির কিংবদন্তি ফুটবলার ফ্রাঙ্কো বারেসি আর নেই। ইতালির পথে গ্রিস, দলে কনস্টাসের ভাইসহ কয়েকজন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ফিফার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল কনক্যাকাফও ‘রামায়ণ’ মুক্তির এখনো বেশ কয়েক মাস বাকি, শুধু সংগীত বিক্রি হলো ৮০ কোটি টাকায় আইস্ক্রিনে দেখা যাবে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের ওয়েব সিরিজ অ্যানি

আরও এক দফা বাড়ল মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম

Reporter Name / ১ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: চলতি সপ্তাহে আরও এক দফা বেড়েছে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পাঙাশের কেজি এখন ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল ও পোয়া মাছের দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ওজন ভেদে রুই মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা ও টেংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

মাছের পাশাপাশি দাম বেড়েছে ডিমেরও। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকায়। গরুর মাংসের দাম স্থির থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। আর খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা খন্দকার সাজ্জাদ হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, নিত্যপণ্যের দাম আগেই বেশি ছিল। এখন বৃষ্টি ও বন্যার কারণে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম আরো বেড়ে গেছে। সীমিত আয়ে সংসার চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

খাত সংশ্লিষ্ট বলছেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হলে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category