• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline
ময়মনসিংহে বাসে যাত্রী জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়, আটক ‘মূলহোতা’ চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক অনলাইন প্রতারক চক্রের ৬৩ সদস্য গ্রেফতার পরিবেশ সচেতন আগামী প্রজন্ম গড়ার অঙ্গীকারে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শেষ হলো গ্রিন জেনেসিস ২০২৬ কেমিক্যাল ও শিল্পখাতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত হলো ‘রেডমিন হরাইজন -২০২৬’ রাজধানীতে অর্ধ কোটি টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ১ গ্রামবাংলায় শরতের আসল রূপ পরিমিত সাজসজ্জা এবং গোছানো পরিবেশই ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে বেশি ভূমিকা রাখে দক্ষিণ ভারতের পাহাড়ি নীলকুরিঞ্জি প্রায় ১২ বছর পর ব্যাপকভাবে ফুল ফোটে প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে সুইজারল্যান্ড যেন স্বপ্নের মতো এক জায়গা শরীর সুস্থ রাখতে যেসব খাবারের দিকে নজর দেয়া জরুরি

এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিল, বেতন ফেরতের নির্দেশ

Reporter Name / ১৯৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পদের বিপরীতে তার উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বুধবার (২৪ জুন) এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
আদেশ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুন সিন্ডিকেটের ৯২তম বাজেট অধিবেশন সভায় আলোচ্যসূচির বহির্ভূতভাবে একজন সদস্যের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ সংশোধন করা হয়েছিল। একই সভায় পুনরায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে আজীবন মেয়াদে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা ছিল বিধিবহির্ভূত। তাই নিয়োগ অনুমোদন করা যায় না।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ২০২৬ সালের ১৩ জুন ৯৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দেওয়া আজীবন নিয়োগটি বাতিল করা হলো। একই সঙ্গে ৯২তম সভার তারিখ (২০২৪ সালের ২০ জুন) থেকে অধ্যাপক ইমেরিটাস পদের বিপরীতে তার উত্তোলিত বেতন-ভাতাদিও ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যোগ করা হয় অফিস আদেশে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি এমন একটা চিঠি পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেটা করেছে, অন্যায় করেছে। আমার ওপর অবিচার করেছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও এভাবে একটা সম্মানজনক পদ ছিনিয়ে নেয়ার নজির নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ৫০ বছর যাবত চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছি। আমার ছাত্ররা স্বনামখ্যাত অধ্যাপক। জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয়। কারা, কী কারণে (এটি) করছে, তারাই জানে।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category