• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
হাই স্কুল ও মাদরাসায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজ করছে সরকার: রিজভী প্রথম ১৮০ দিনে রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি অঙ্গ মেরামতের কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী চলতি বছরেই নতুন পে-স্কেল ঘোষণা হবে: অর্থমন্ত্রী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ, বাস্তবায়ন দুটি ধাপে বাংলাদেশে আল কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের রিপোর্ট আমলে নিচ্ছি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অর্থনীতিতে সংস্কার, পে-স্কেল প্রণয়নসহ ছয় মাসের কর্মকাণ্ড জানালেন মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সরকারের ১৮০ দিন: টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার ৬০ দিনের সময়সীমা আর প্রযোজ্য নয়: ইরান

চলে গেলেন বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: খ্যাতিমান শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার চলে গেলেন। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। স্কয়ার হাসপাতাল সূত্র গণমাধ্যমকে শিল্পীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
‘বাংলাদেশের পাপেটম্যান’ হিসেবে খ্যাত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন।
স্কয়ার হাসপাতাল সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১৪ তারিখে অসুস্থ অবস্থায় মুস্তাফা মনোয়ারকে এখানে ভর্তি করা হয়। আজ সকাল সাড়ে আটটায় হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
শিল্পীর ব্যক্তিগত সহকারী রুবেল মিয়া সকালে গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতাল থেকে মুস্তাফা মনোয়ারকে নেওয়া হবে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে। এরপর ধানমন্ডি ১ নম্বরে শিল্পীকে তাঁর বাসভবনে নেওয়া হবে। তাঁর জানাজা ও দাফন কোথায় হবে, সে বিষয়ে পরে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হবে।
শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০০৪ সালে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়েছিল মুস্তাফা মনোয়ারকে। এ ছাড়া নানা সম্মাননায় ভূষিত ছিলেন তিনি।
কবি গোলাম মোস্তফার ছেলে মুস্তাফা মনোয়ারের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
ছোটবেলা থেকেই মুস্তাফা মনোয়ারের ছবি আঁকা আর গানের প্রতি আকর্ষণ। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় যোগ দেন রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে। জেলে যান ছবি আঁকার অপরাধে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের লাল সূর্যের অন্যতম স্থপতি তিনি। সৃষ্টি করেছেন ‘পারুল’-এর মতো জনপ্রিয় চরিত্র। জড়িত ছিলেন ‘মীনা’র সঙ্গে। নির্মাণ করেছেন শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশের সবচেয়ে মানসম্পন্ন ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘নতুন কুঁড়ি’। তাঁর নির্মিত অনুষ্ঠান ‘মনের কথা’ও ব্যাপক সমাদৃত।
মুস্তাফা মনোয়ারের কর্মজীবনের শুরু পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা, শিল্পকলা একাডেমিসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীশিবিরে শিশুদের আতঙ্কগ্রস্ত মলিন চেহারা মুস্তাফা মনোয়ারকে ব্যথিত করে। তাই বাচ্চাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সেই শরণার্থীশিবিরেই আয়োজন করেন জীবনের প্রথম পাপেট শো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন আঙ্গিকে বাংলাদেশের শিল্পজগতে মুস্তাফা মনোয়ার মেলে ধরেন পাপেটের এক নতুন রূপ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category