• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
Headline
পরীমনি–ইমতিয়াজ বর্ষণকে জুটি করে ওয়েব ফিল্ম বানাচ্ছেন গিয়াসউদ্দিন সেলিম বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা ওপার বাংলায় ‘তাণ্ডব’ বানাচ্ছেন অয়ন চক্রবর্তী, কেন্দ্রীয় চরিত্রে মিমি রাজপালকে শেষবারের মতো দুই সপ্তাহ সময় দিলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বরুণ-জাহ্নবীকে চমকে দিতে ‘কফি কাউচে’ কে এলেন ভারতের সেন্সর বোর্ডে প্রীতি জিনতা – সুনীল শেঠি ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে বাংলাদেশ-ইইউর আলোচনা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী ডেনমার্ক চীনে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি সহজ করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

তিতাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে সমালোচনা

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬


মো.বিল্লাল মোল্লা, কুমিল্লা উত্তর :
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের ৫৪ নম্বর মঙ্গলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মঙ্গলকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের অভিভাবক মো. ইমাম হোসেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে সরকারি নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। অভিযোগে বলা হয়েছে, সভাপতি হিসেবে মনোনীত মো. শাহ আলম মোল্লার সন্তান বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া কমিটি গঠনের সময় স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও দাতা সদস্যদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা মতবিনিময় করা হয়নি। বরং গোপনে ও একতরফাভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়েছেন অভিযোগকারী। অভিযোগের অনুলিপি কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য এবং তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তফাজ্জল হোসেন বলেন, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের নীতিমালা অনুযায়ী দাতা সদস্যের অনুমতিক্রমে তাঁর স্ত্রীর বড় ভাই ইমাম হোসেনের পরামর্শে অভিভাবক সদস্য, বিদ্যোৎসাহী সদস্য, শিক্ষক প্রতিনিধি, সাধারণ প্রতিনিধি, দাতা সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কমিটির প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে মো. শাহ আলমকে বিদ্যোৎসাহী পুরুষ সদস্য এবং মোছা. তাসলিমা আখতারকে বিদ্যোৎসাহী মহিলা সদস্য হিসেবে অনুমোদন দেন। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে গত ২৭ জুন দাতা সদস্য মো. আশিকুর রহমানকে উপস্থিত থাকার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হয়। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ে কোনো মতামত বা পরামর্শ দেননি। একই সঙ্গে অভিযোগকারী ইমাম হোসেনকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে অন্য একজন অভিভাবকের মাধ্যমে তাঁকে সভায় উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও তিনি উপস্থিত হননি।
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category