• শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

নেপালে-তিব্বতে নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ বেড়ে প্রায় ৩ হাজার

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা রসুয়া এবং সীমান্তের অপর পাশে চীনের তিব্বত প্রদেশের গিরং জেলায় ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল বা হড়পা বানের পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৩৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার এসব মরদেহের মধ্যে ৬২৬ টি নেপাল এবং বাকি ৭টি তিব্বতের।
মরদেহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিখোঁজদের সংখ্যাও। কাঠমান্ডু ও বেইজিংয়ের তথ্য অনুসারে, রাসুয়া এবং গিরংয়ে এ পর্যন্ত নিখোঁজদের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনে। নেপালে নিখোঁজ হয়েছেন ১ হাজার ৯২৪ জন এবং গিরংয়ে ৫৫৮ জন। পানিতে ভেসে গিয়ে কিংবা বানের সঙ্গে আসা কাদা-পাথর-জঞ্জালের তলায় চাপা পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন তারা। এই নিখোঁজদের মধ্যে নেপালি ও তিব্বতিদের পাশরপাশি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ৩৫টি দেশের প্রায় ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক আছেন।
গত ২৬ আগস্ট বুধবার ভোতিকোশি এবং তার শাখানদী লেহন্দে নদীর একটি ব্যারিয়ার হ্রদ (তুষার,পাথর বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বাধার কারণে পানির প্রবাহ আটকে নদীতে যে জলাধার তৈরি হয়) ভেঙে পড়ায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাসুয়া এবং সীমান্তের অপর পাশে তিব্বতের গিরং জেলায়। লাখ লাখ ঘনমিটার পানি এবং তার সঙ্গে আসা টনকে টন কাদা, পাথর, জঞ্জালে ঢেকে যায় দুই দেশের দু’জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা।
এদিকে শুক্রবার এক প্রতিবেদেন চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে নতুন একটি ব্যারিয়ার হ্রদের সন্ধান মিলেছে এবং যে কোনো সময়ে সেটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যারিয়ার হ্রদের পানির প্রভাবে ভোতিকোশি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল সিসিটিভির প্রতিবেদনে। শুক্রবার এ খবর প্রচারিত হওয়ার পর তিব্বত এবং নেপাল— উভয় স্থানেই উদ্ধার কাজ স্থগিত করা হয়েছিল। কিছু সময় স্থগিত থাকার পর অবশ্য ফের উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে নেপাল; তবে চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিন দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর ফের উদ্ধার তৎপরতা শুরু হবে তিব্বতে।

সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category