• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
Headline
মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ নভেম্বর ভারতের আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন বন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির তাগিদ অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার ঠেকাতে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-ইইউ মেয়েদের বিয়ের বয়স কমাতে বড় বড় নেতা তদবির করছেন : ববি হাজ্জাজ সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনবে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছে আরও ৪০ লাখ নারী পরাজিত শক্তির সব চক্রান্ত প্রতিহত করতে প্রস্তুত বিএনপি: রিজভী দেশের সিনেমা হলের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন হতে পারে নভেম্বরে : বিমান মন্ত্রী

পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি : ইসি

Reporter Name / ৪ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট : আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে’র মধ্যে সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাঁচটি ধাপে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। সোমবার (১২ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের ১৩তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
নির্বাচন কমিশনার জানান, যেসব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের সময় পার হয়ে গেছে বা এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনী চক্রের আইনি মেয়াদ পূর্ণ হবে, সেগুলোতে ২৭ মে’র মধ্যে ভোট সম্পন্ন করা হবে। তিনি জানান, ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপে ২৭ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনে কোনো একক অঞ্চলকে আলাদা না করে সব জেলায় একযোগে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে জেলার সদর উপজেলাগুলো এবং যেসব ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পার হয়ে গেছে (ওভারডিউ) সেগুলোকে প্রথম দিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত ১৭ জানুয়ারি নির্ধারিত থাকায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধ বিবেচনা করে প্রথম ধাপের ভোটের তারিখ ২১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ।
এনআইডি অনুবিভাগ ও স্মার্টকার্ড প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, দ্বিতীয় বিষয় যেটা আমরা আলোচনা করেছি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের আমাদের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক এবং আর্থিক কিছু ক্ষমতা নিয়ে। এখানে প্রাথমিক কিছু আলোচনা হয়েছে, বিস্তারিত একটা কমিটির মাধ্যমে সম্পাদন হবে। আমরা কিছু ইন্টার্নাল রিডিস্ট্রিবিউশন এলাও করেছি। তিনি বলেন, আমাদের পার্সোনালাইজেশন সেন্টার নিয়ে একটা সমস্যা ছিল। চুক্তি ও অডিট অবজেকশনের ব্যাপারে আমরা সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছি, যাতে করে আগামী মাসের (নভেম্বর) মাঝামাঝি সময় থেকে পূর্ণ ক্যাপাসিটিতে পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে স্মার্টকার্ডগুলো প্রিন্ট করা যায়। একইসঙ্গে অডিট অবজেকশনসহ অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয়গুলো সমাধানের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
ইভিএম যন্ত্রাংশ ও ইভিএম ব্যবহার না করা নিয়ে তিনি বলেন, আমরা তো ইতোপূর্বেই কমিশনের একদম শুরুর দিকের সভাতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ইভিএম আর ব্যবহৃত হবে না। কিন্তু এই ইভিএমগুলো এখনো আমাদের কাছে রয়ে গেছে এবং ইভিএম সংক্রান্ত অনেক ঝামেলা এখনো পোহাতে হচ্ছে। ইভিএম সংক্রান্ত যে কমিটিগুলো ছিল তাদের বক্তব্য আমরা শুনেছি। চূড়ান্তভাবে ডিসপোজালসহ পূর্ববর্তী কমিটির সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে বলবৎ করা যায়, সেজন্য কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আইনি এভিডেন্সের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, আমরা চাচ্ছি দ্রুততম সময়ে এই ইভিএমগুলো যেন ডিসপোজাল হয়ে যায়। পাশাপাশি যে আইনি বিষয়গুলো আছে—দুদকসহ, সেগুলোর জন্য যে এভিডেন্স বা প্রমাণ রাখা দরকার সেগুলো রেখে বাকিগুলোকে দ্রুততম সময়ে ডিসপোজাল দেওয়াই হচ্ছে আমাদের উদ্দেশ্য।
মৃত ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজীকরণ নিয়ে তিনি বলেন, মৃত ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দিতে আমাদের এখন যে পদ্ধতি আছে, তাতে সুনির্দিষ্টভাবে পরিবারের সদস্য বা চেনা জানা কাউকে ১২ নম্বর ফর্মটি পূরণ করতে হয়। এতে দেখা যাচ্ছে সচেতনতার অভাব হোক বা অন্যান্য কারণে অনেক মৃত ভোটার তালিকাতে থেকে যান। আমরা এটাকে কিভাবে আরও যুগোপযোগী করা যায়, অন্যান্য সোর্স থেকে ইনফরমেশন নিয়ে মৃত ভোটারদের টাইমলি বাদ দেওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনি জানান, আমরা একটা প্রস্তাবনা শুনেছি, সেই প্রস্তাবনাটা পাইলট আকারে কিছু উপজেলা এবং ইউনিয়নে আমরা চালু করব। তারপরে এটার সাকসেস দেখার পরে ও রিভিউ করার পরে পূর্ণাঙ্গভাবে সারাদেশে ডেপ্লয় করা হবে।
নির্বাচন পদক সম্পর্কে সানাউল্লাহ বলেন, জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা ২০২৫-এর একটা খসড়া আজকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটাতে আজকে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। কমিশনের সদস্যবৃন্দ ব্যক্তিগতভাবে এটি আরও স্টাডি করে মতামত দেওয়ার কথা জানিয়েছেন, ততদিন পর্যন্ত আমরা ওয়েট করব। গত বছর এ পদক দেওয়া হয়নি, এই বছরেরটাও পেন্ডিং আছে। নীতিমালার আলোকেই তা দেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগেও আমাদেরকে এমন অনেক কথা শুনতে হয়েছিল, তারপরও জাতীয় নির্বাচন স্মরণকালের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। আমরা মনে করি না বাংলাদেশ আর কোনো সংঘাতময় নির্বাচনের পথে হাঁটার জন্য প্রস্তুত আছে। আমরা আশা করব যে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি আমরা শুরু করেছি, তা বলবত্ত রাখব এবং সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডার আমাদের সহায়তা করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category