প্রভাত সংবাদদাতা, বরিশাল: টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির পর বরিশালে কমেছে অধিকাংশ সবজির দাম। তবে নদীর মাছের সরবরাহ কম থাকায় চাষের মাছের ওপর বেড়েছে চাপ। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোডের মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পাইকারি বাজারে দেখা যায়, করলা ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৪০, পেঁপে ১৫-২০, পটোল ৩০-৩৫, রেখা ২০, লাউ ২৫, মিষ্টি কুমড়া ২৫-৩০, শসা ১৫, ঢেঁড়স ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩ টাকা হালি দরে। এসব সবজি খুচরা বাজারে অবশ্য কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
কয়েক দিন আগেও ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন ৬০ টাকায় নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি হওয়ায় সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে বাজারে বেচাকেনা কমে যাওয়ায় সবজির দামও কমেছে।
এদিকে নগরীর পোর্ট রোড পাইকারি মাছের বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। সেখানে মাছের দাম বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীর মাছের সরবরাহ কম থাকায় চাষের মাছের ওপর চাপ বেড়েছে। এতে চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি দামও বেড়েছে।
ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, সপ্তাহের ব্যবধানে আকার ও ধরনভেদে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে পছন্দের মাছ কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অনেক ক্রেতাকেই বেশি দামের মাছ বাদ দিয়ে তুলনামূলক কম দামের তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশ কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির বাজারে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬৫-১৭০ টাকা, লেয়ার ৩৬৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।