• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
Headline
ঋণের ১২২১ কোটি টাকা লোপাট : সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে ৩ মামলা শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও দামে প্রভাব পড়েনি ভ্যাট আদায়ে স্থবিরতা, দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠানই দেখিয়েছে শূন্য রিটার্ন আগামী গ্রীষ্মের মধ্যে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: প্রতিমন্ত্রী ‘দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অপশক্তি শ্রমিকদের উস্কানি দিয়ে আন্দোলনে নামিয়েছে’ আশা করি গঙ্গা চুক্তি নিয়ে ভারত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ মেধানির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগামী জানুয়ারির বেতনের সঙ্গে নতুন মজুরি কার্যকর করার দাবি বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক, সংসদীয় গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় জোর

বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ দূর করতে এনজাইমযুক্ত ক্লিনার

Reporter Name / ২০৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রকমারি ডেস্ক: বিড়াল ঘরের আদরের সদস্য হলেও কখনও কখনও তার মূত্রের গন্ধ নিয়ে বেশ বিপাকে পড়তে হয়। বিশেষ করে লিটার বক্সের বাইরে সোফা, কার্পেট বা মেঝেতে প্রস্রাব করলে প্রথমে জায়গাটি চোখে না পড়লেও পরে তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিয়মিত ঘর পরিষ্কার করার পরও যদি সেই গন্ধ থেকে যায়, তাহলে শুধু সুগন্ধি বা সাধারণ জীবাণুনাশক ব্যবহার না করে গন্ধের উৎসটিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি।
বিড়ালের প্রস্রাবের দাগ ও গন্ধ পরিষ্কার করতে এনজাইমযুক্ত পোষ্য-নিরাপদ ক্লিনার ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ধরনের ক্লিনার প্রস্রাবের জৈব উপাদান ভাঙতে সাহায্য করে, ফলে শুধু ওপরের গন্ধ ঢেকে না রেখে দুর্গন্ধের উৎস কমানোর সুযোগ থাকে। কার্পেট, মেঝে বা সোফায় ব্যবহারের আগে অবশ্যই পণ্যের নির্দেশনা পড়ে নেওয়া উচিত এবং কাপড় বা আসবাবের ছোট অংশে আগে পরীক্ষা করে দেখা ভালো।
ঘরোয়া পরিষ্কারের কাজে অনেকে সাদা ভিনেগার ব্যবহার করেন। তবে বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ দূর করতে ভিনেগার সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে এবং কিছু পৃষ্ঠের ক্ষতি করতে পারে। তাই ব্যবহার করলে পানি মিশিয়ে অল্প পরিমাণে এবং উপযুক্ত পৃষ্ঠে ব্যবহার করা উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্লিচ বা অ্যামোনিয়াযুক্ত ক্লিনারের সঙ্গে ভিনেগার কখনও মেশানো যাবে না।
কার্পেট বা অন্য শুকনো, উপযুক্ত পৃষ্ঠে বেকিং সোডা দুর্গন্ধ শোষণে কিছুটা সহায়তা করতে পারে। পরিষ্কার ও শুকনো জায়গায় অল্প বেকিং সোডা ছড়িয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরে ভালোভাবে ভ্যাকুয়াম করে নেওয়া যায়। তবে বিড়াল যাতে সরাসরি বেকিং সোডা খেতে বা অতিরিক্ত পরিমাণে শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
গন্ধের সমস্যা কমানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো লিটার বক্স নিয়মিত পরিষ্কার রাখা। প্রতিদিন মল ও জমাট বাঁধা মূত্র সরিয়ে ফেললে দুর্গন্ধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। একাধিক বিড়াল থাকলে লিটার বক্সের সংখ্যাও পর্যাপ্ত রাখা দরকার। বর্ষাকালে ঘরে আর্দ্রতা বেশি থাকায় গন্ধ আরও তীব্র মনে হতে পারে, তাই এ সময়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া ভালো।
বিড়াল যদি হঠাৎ করে লিটার বক্স বাদ দিয়ে বারবার অন্য জায়গায় প্রস্রাব করতে শুরু করে, শুধু দুষ্টুমি হিসেবে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। মূত্রনালির সমস্যা, মানসিক চাপ বা অন্য কোনও শারীরিক কারণে এমন আচরণ হতে পারে। আচরণটি বারবার হলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সবশেষে, শুধু সুগন্ধি ছিটিয়ে গন্ধ ঢাকার চেষ্টা না করে যেখানে প্রস্রাব হয়েছে সেই জায়গাটি দ্রুত শনাক্ত করে ভালোভাবে পরিষ্কার করাই বেশি কার্যকর। নিয়মিত লিটার বক্স পরিষ্কার রাখা এবং বিড়ালের আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও ঘরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি পোষ্যের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category