• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
Headline
“দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগী হলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ বহুগুণে বেড়ে যাবে” নরওয়েতে ইতিহাসের মাঝে থাকার সুযোগ শিবচরে নারী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন: আসামি গ্রেফতার ‘স্পিরিট’ সিনেমা থেকে দীপিকা পাড়ুকোনের সরে যাওয়া নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন পরিচালক ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান’ জিতলেন মিসবাহ আরশাদ ‘নায়করাজ’ রাজ্জাককে নিয়ে শাকিব খানের আবেগঘন বার্তা লন্ডনে সংবাদ সম্মেলনে সালমান শাহর নীলা চৌধুরী বললেন, ১০০ কোটির প্রস্তাব এসেছিল গাড়ি আছে, চালক আছেন; রাস্তায় যাত্রীও আছে তবে সিএনজি পাম্পে গ্যাস নেই জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিসভায় নতুন করে আরও চারজন সদস্য যুক্ত হচ্ছেন

‘ম্যাচিউরড’ পুরুষ স্ত্রীকে এ কথা কখনও বলেন না

Reporter Name / ১৩৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: ভারতীয় পরিবারে বিয়ের পর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণের পাশাপাশি বাবা-মায়ের সঙ্গেও সম্পর্ক অনেক সময় অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে যায়। বিশেষ করে একই বাড়িতে থাকলে সিদ্ধান্ত নেওয়া, সংসারের নিয়ম, ব্যক্তিগত পছন্দ-সবকিছুতেই পরিবারের অন্য সদস্যদের উপস্থিতি থাকে। আর এখান থেকেই তৈরি হতে পারে টানাপোড়েন। প্রশ্ন ওঠে, স্বামী কার পক্ষ নিচ্ছেন বাবা-মা, না কি স্ত্রী।
সম্প্রতি সম্পর্কবিষয়ক পরামর্শদাতা চেতনা চক্রবর্তী সমাজমাধ্যমে এমন টানাপোড়েনের প্রসঙ্গ তুলেছেন। তার বক্তব্য, নিজের বাবা-মাকে সম্মান করা ও তাদের পাশে থাকা অবশ্যই জরুরি।
কিন্তু স্ত্রীকে কখনও এমন বলা উচিত নয় যে, ‘আমার মা-বাবাই আমার এক নম্বর অগ্রাধিকার, তাদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া ছাড়া তোমার আর কোনো উপায় নেই।’
চেতনার কথায়, ‘ম্যাচিউরড, সুচরিত্র-মূল্যবোধসম্পন্ন পুরুষ এমন কথা কোনো দিনও বলবেন না তার স্ত্রীকে।
বরং মা-বাবার সঙ্গে বসে সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করবেন, যদি কোনও সমস্যা হয়। স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলে বিষয়টি সামলানোর চেষ্টা করবেন।’

কেন এমন কথা সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে?

আসল বিষয়টি শুধু বাবা-মা বনাম স্ত্রী নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিয়ের পর নতুন একটি সম্পর্ককে কীভাবে জায়গা দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্নও। বাবা-মাকে ভালোবাসা আর স্ত্রীকে মানিয়ে নিতে বাধ্য করা এক জিনিস নয়। বিয়ের পরেও বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব থেকে যায়। তাদের দেখাশোনা করা, প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানো কিংবা তাদের সঙ্গে থাকা-এসব নিয়ে প্রত্যেক পরিবারের নিজস্ব পরিস্থিতি রয়েছে। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন সেই দায়িত্বের অর্থ হয়ে দাঁড়ায়-স্ত্রীকেই সবসময় নিজের ইচ্ছা, পছন্দ বা অস্বস্তি সরিয়ে রেখে মানিয়ে নিতে হবে।
সম্পর্কবিষয়ক পরামর্শদাতার বক্তব্য অনুযায়ী, একজন ভালো স্বামী বাবা-মাকে ভালোবাসবেন, তাদের সম্মান করবেন, কিন্তু একইসঙ্গে স্ত্রীকেও তার জীবনের সমান গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হিসেবে দেখবেন। অর্থাৎ বিষয়টি ‘কার গুরুত্ব বেশি’-এমন প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত নয়।

‘আমার বাবা-মা আগে’-কেন কথাটা বিপজ্জনক?

বিয়ের পর একজন নারী যখন নতুন পরিবারে আসেন, তখন তাকেও নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ এবং নতুন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। সেই সময়ে স্বামী যদি প্রথমেই জানিয়ে দেন যে বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তই শেষ কথা এবং তাকেই সবসময় মানিয়ে নিতে হবে, তাহলে সম্পর্কে নিরাপত্তার অভাব দেখা দিতে পারে।
তার মনে হতে পারে, এই সংসারে তার মতামতের মূল্য কম। তার স্বামী তার পাশে নেই। নিজেকে অসহায় বলে মনে হতে পারে। আর সেখান থেকেই তৈরি হতে পারে অভিমান, দূরত্ব ও ধীরে ধীরে ক্ষোভ।

স্ত্রীকেই কী তবে বাবা-মায়ের আগে রাখতে হবে?

এখানেও বিষয়টি এত সরল নয়। চেতনার মতে, ‘স্ত্রীকে বাবা-মায়ের ওপরে রাখতে হবে এই সহজ নিয়মে দেখলে ভুল হবে। আসল বিষয় হলো পরিস্থিতি অনুযায়ী দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া এবং প্রত্যেক সম্পর্কের প্রতি সম্মান রাখা।’
বাবা-মায়ের প্রয়োজন যদি জরুরি হয়, তাদের পাশে দাঁড়ানো স্বাভাবিক। আবার দাম্পত্যজীবনে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হলে স্ত্রীর মতামতকেও গুরুত্ব দিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category