প্রভাত রিপোর্ট: বহুল আলোচিত ঊর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাইদুজ্জামান মোহনের জামিন শুনানি হয় গত রবিবার(১৬ আগস্ট) ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৫ নম্বর কোর্টে। বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। জানা যায়, সেদিন আসামি পক্ষের লোকেরা সি আর মিস করার জন্য নথি নিয়ে যান জজ কোর্টে। পরে গত সোমবার (২৪ আগস্ট) ২৭ নং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে প্রধান আসামি মোহনের জামিন শুনানি হলে বিজ্ঞ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেন নামঞ্জুর করেন এবং আদালতে উর্মি হত্যা মামলার বাদী হাজির হয়ে এ বিষয়ে অবগত হন। কদমতলী থানা মামলা নং ২৫(১৬/৭/২৬ইং) দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০০ সংশোধনীয় এবং ২০০৩ এর ১১ক ৩০ এর ধারায় ৫ জনকে আসামি করা হয়।
গত ৩ আগস্ট ২নং আসামি জয়তারা বেগম ও ৩নং আসামি রেশমা রহমান আইনের জামিনে বের হয়ে যান। জানা যায়, এ মামলার ৪নং আসামি নোবেল ও ৫নং আসামি সোহেল এখনো পলাতক রয়েছেন। পুলিশ গ্রেফতার করছে না বলে এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যাচ্ছে না। এলাকাবাসীর প্রশ্ন কেন আসামি দুজনকে গ্রেফতার করছেন না পুলিশ?
মামলার বাদী মনির হোসেন, জানান আসামির এই আচরণের বিষয়েও কদমতলী থানায় গত ২ আগস্ট রবিবার দুপুরের পর ৩দিনের রিমান্ড শেষে এস আই কামরুল নাহার ও অফিসার ইনচার্জ আশরাফ আসামীদের আদালতে পাঠান।
এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসামীর কাছ থেকে আশানুরূপ বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জানা যায়, উর্মি হত্যার বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রধান আসামি সাইদুজ্জামান মোহন।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী নিহত উর্মির বাবা মনির হোসেন বলেন , মামলার প্রধান আসামি জামিনে বের হলে আদালতের কাজে বিঘ্ন ঘটবে কারণ প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয় উর্মি হত্যার সাত দিন পর। নেত্রকোনা- জামালপুর ইন্ডিয়ার বর্ডার এলাকা থেকে প্রধান আসামি মোহন কে আটক করা হয়। এই আসামি বাদী মনির কে আদালতে চত্বরে গত ২/৮/২০২৬ইং তারিখে হুমকি দেন জামিনে বের হলে দেখে নেব। উর্মি হত্যার ৫জন আসামিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি আরো জোরালো করা হোক ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যাশা।