• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
Headline
ঢাকায় ফুটবল খেলে নিরাপদ ভারত এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ রাতেও মিলবে সূর্যের আলো, মহাকাশে বসবে ৫০ হাজার আয়না পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স পরিবেশনা রফতানি ব্যাহত, কারখানায় আগুন: ক্ষতির মুখে পোশাকশিল্প শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢামেক হাসপাতালে দুদক চেয়ারম্যানের আকস্মিক পরিদর্শন, রোগীদের নানা অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার-শিক্ষার্থী সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের মিছিল

রাজশাহীর বাজারে বেগুনের কেজি ১০০ টাকা, অজুহাত পানি বৃদ্ধি

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, রাজশাহী: রাজশাহীর বাজারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম ও মুরগি। চলতি সপ্তাহেও এসব পণ্যের দামে স্বস্তি ফেরেনি। আবার পদ্মা নদীতে পানি বাড়ায় সবজির সরবরাহ কমেছে। তাই বেড়েছে কয়েকটি সবজির দামও। বিশেষ করে বেগুনের দাম কেজিতে আরও ১০-১৫ টাকা বেড়ে ৯০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মাছের বাজারেও রয়েছে চড়া দাম। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নগরীর সাহেব বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বর্তমানে বাজারে শসা ৫০-৬০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, আলু ২০-২৫, পেঁয়াজ ৪৫-৫০, পটল ৩০, ঢেঁড়স ৩০-৪০, বেগুন ৯০-১১০, ফুলকপি ৬০-৭০, ঝিঙা ৪০, চিচিঙ্গা ৪০-৫০, বরবটি ৬০-৭০, কচুর লতি ৬০, কাঁচা পেঁপে ২০ এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাঁচকলা প্রতি হালি ৩০ টাকা, ওল ৫০, লাউ প্রতিটি ৩০ এবং চালকুমড়া প্রতি পিস ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, বাজারে গাজর ১৪০ টাকা এবং টমেটো ১৪০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আদা ১৮০ টাকা, নাটোরের রসুন ৮০ এবং দেশি রসুন ১৬০-১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের দামেও বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
গত সপ্তাহের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম ও মুরগি। দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫-৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০, ফার্মের লাল ডিম ৪৮-৫০ এবং সাদা ডিম ৪৪-৪৬ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
মুরগির মধ্যে ব্রয়লার ১৮০-২০০ টাকা, সোনালি ২৭০-২৮০, দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০, লাল লেয়ার ৩৪০, ফাউমি ৩৩০ এবং হাঁস ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, উজান ও ফারাক্কা বাঁধের পানির কারণে পদ্মা নদীতে পানি বেড়েছে। এতে রাজশাহীর চরাঞ্চলসহ কয়েকটি এলাকা পানিতে ডুবে যাওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় কিছু সবজির দাম বেড়েছে।
সবজি বিক্রেতা জসিম বলেন, ‘গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও সবজির বাজার চড়া। গত সপ্তাহে যে দামে সবজি বিক্রি হয়েছে, এ সপ্তাহেও প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে বেগুনের দাম কিছুটা বেড়েছে।’
বাজার করতে আসা রোকেয়া কামাল বলেন, ‘বাজারে সবজির দাম তুলনামূলক বেশি। কিছুদিন আগে যে সবজি ৩০ টাকায় পেয়েছি, এখন সেই সবজি ৫০-৬০ টাকা কেজিতে কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া মাছ, মুরগি ও ডিমের দামও বেশি।’
বাজার করতে আসা হেলিম বলেন, ‘বর্তমান বাজারে সবজির দাম কিছুটা চড়া হলেও আমাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। তবে কিছুদিন আগের তুলনায় সবজির দাম অনেক বেড়েছে।’একই বাজারে মেসে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের প্রতিদিনই বাজার করতে হয়। এ সপ্তাহে সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজশাহীতে সবজির দাম তুলনামূলক কম ছিল। বৃষ্টির কারণেই হয়ত দাম বেড়েছে।’
ডিম ব্যবসায়ী জোসেফ আহমেদ বলেন, ‘গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে ডিমের দাম বাড়তি। ৩৬-৩৮ টাকা হালি দরের সাদা ডিম এখন ৪৬ টাকা এবং লাল ডিম ৫০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য ডিমের দামেও পরিবর্তন এসেছে। খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম আরও বেশি।’মাছের বাজারেও চড়া দাম দেখা গেছে। রুই ২৭০-৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০-৩৫০, তেলাপিয়া ১৭০-২১০, পাঙাশ ১৮০-২০০, চাষের কৈ ২০০-২২০, চাষের শিং ৩০০-৩৫০, টেংরা ৬০০-৭০০, বোয়াল ৬৫০-৮০০, চিংড়ি ৬৫০-৯০০, কোরাল ৭৫০, দেশি কৈ ৮০০-১০০০ এবং দেশি শিং ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রাজশাহীর মুরগি ব্যবসায়ী ফাহিম আহমেদ বলেন, ‘এ সপ্তাহেও মুরগির দাম কমেনি। বরং ৫-১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এ সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। দেশি, সোনালি ও অন্যান্য মুরগিও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category