• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
​তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর ঘোষণা ও সাংবাদিকের মর্যাদা ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে বিক্রি হয়ে গেলো একটি প্যাকেজ টিকিট, যার মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা স্পিডের কারণেই পেনাল্টি মিস করেছেন মেসি! আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে বিতর্কিত রেফারিং, আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিলো ফিফা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে নতুন কোচ রাফায়েল মার্কেজকে নিয়োগ দিল মেক্সিকো মেসির কাছ থেকে উপহারও পাবেন ক্লোসা আর্জেন্টাইন তারকাসহ বিশ্বকাপে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় ১৮ ফুটবলার জয়াকে ঘিরেই ফিরছে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটি ‘কিং’-এর বাজেট ৪৫০ কোটি? নির্মাতার ভিন্ন ইঙ্গিত

৯৫ বার পেছাল রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন

Reporter Name / ৫১ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: এক দশক পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলার তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। বারবার সময় নিয়েও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আবারও পিছিয়েছে মামলার অগ্রগতি। এ নিয়ে ৯৫ বার পেছানো হলো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার (১৮ মে) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি এদিনও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। পরে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জালিয়াতির মাধ্যমে সুইফট কোড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। পরে সেই অর্থ ফিলিপিন্সে স্থানান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্টরা তখন ধারণা করেছিলেন, দেশের অভ্যন্তরের কোনও চক্রের সহায়তায় এ অর্থ পাচার হয়েছে।
ঘটনার পর একই বছরের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে করা ওই মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।
মামলাটির তদন্তভার পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সংস্থাটি এখনও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।
চুরি হওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশিরভাগ অর্থ ফিলিপিন্সের তিনটি ক্যাসিনোতে স্থানীয় মুদ্রা পেসোতে রূপান্তরিত হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশকে ফেরত দেয় ফিলিপিন্স সরকার। তবে এখনও বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের কোনও হদিস মেলেনি।
রিজার্ভ চুরির তিন বছর পর ২০১৯ সালে অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে আরসিবিসির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের এপ্রিলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। রায়ে বলা হয়, ওই মামলার বিচার করার পর্যাপ্ত এখতিয়ার আদালতের নেই। এরপর বাংলাদেশ বাংকের পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কের ‘এখতিয়ারভুক্ত’ আদালতে মামলা করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category