• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
Headline
ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ জাহাজের ১০২ যাত্রী উদ্ধার সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুতিদের, বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আর ১৪ দিন চলার মতো তেল অবশিষ্ট আছে! হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা, শঙ্কা বাড়ছে তেল সরবরাহে দিল্লিতে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিন কাশ্মীরি নেতার বৈঠক হুথিদের বিরুদ্ধে স্থল যুদ্ধের জন্য পুনর্গঠিত হচ্ছে ইয়েমেনের সেনারা গ্রিডে যুক্ত হলো আদানির ইউনিট-২, বাড়বে বিদ্যুৎ সরবরাহ ইসলামী ব্যাংকের সামনে চাকরি ফেরত চেয়ে অবস্থান, গ্রাহকদের পাল্টা কর্মসূচি ৯৬৮ কোটি টাকার রাইট শেয়ার ইস্যু করতে চায় জিপিএইচ ইস্পাত নতুন করে চাপে পড়তে পারে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি

৯/১১ হামলা: নিউইয়র্কের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না ট্রাম্প

Reporter Name / ৮ Time View
Update : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ হামলার ২৫তম বার্ষিকী পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার নিউইয়র্কে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি স্মরণ করা হলেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এ অনুপস্থিতির পাশাপাশি অনুষ্ঠানে মার্কিন নীতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন হামলায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা।
প্রথা ভেঙে নিউইয়র্কের ওই অনুষ্ঠানে না গিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ট্রাম্প। নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ছিনতাই করা উড়োজাহাজ দিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় নিহত ২ হাজার ৯৭৭ জনের বেশির ভাগই সেখানে মারা যান। এ হামলা পুরো বিশ্বের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে একেবারে বদলে দিয়েছিল।
নাইন-ইলেভেনের পর তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। আর সেই কারণেই বছরের পর বছর মধ্যপ্রাচ্যের নানা যুদ্ধে জড়িয়ে থাকতে হয়েছে দেশটিকে। রিপাবলিকান দলের এই বিলিয়নিয়ার নেতা (ট্রাম্প) এখন ইরানের সঙ্গে তাঁর বর্তমান সংঘাতকে সেই পুরোনো যুদ্ধের সঙ্গেই মেলানোর চেষ্টা করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আজ আমরা সেই পবিত্র শপথ আবার নতুন করে গ্রহণ করছি, যা ২৫ বছর আগে তাঁদের স্মরণে নিয়েছিলাম। আমরা কোনো দিনই তা ভুলব না। আর এ জন্যই আজ আমরা লড়ছি।’ ‘আমাদের আর কোনো উপায় নেই। এখানে শুধু জয়ই হতে পারে। আমরা শক্ত লড়াই করছি। আমরা জয়ের জন্যই লড়ছি।
নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটানের ‘গ্রাউন্ড জিরো’র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেখানে ট্রাম্পের আগের চার জীবিত সাবেক প্রেসিডেন্টও এসেছিলেন। তাঁদের একজন হলেন রিপাবলিকান জর্জ ডব্লিউ বুশ, যিনি হামলার সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন। অন্য তিনজন হলেন ডেমোক্র্যাট দলের জো বাইডেন, বারাক ওবামা ও বিল ক্লিনটন।
শোকাবহ এ বার্ষিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের (গ্রিনিচ মান সময় ১২টা ৪০ মিনিট) ঠিক পরপরই অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এতে নাইন-ইলেভেনের সেই দিনের প্রতিটি ঘটনা মিনিট ধরে স্মরণ করা হয়।
প্রতিবারের মতো এবারও নিহত ব্যক্তিদের নাম পড়ে শোনানো হয়। আর সেদিনের হামলার বড় বড় মুহূর্ত স্মরণ করে বাজানো হয় ঘণ্টা।
সাধারণত অনুষ্ঠানটি রাজনীতিমুক্ত থাকে এবং এখানে কোনো ভাষণ দেওয়া হয় না। তবে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের মধ্যে যাঁরা নাম পড়ে শুনিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই সৌদি আরবের সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে সৌদি রাজপরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নেতাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কেরও কড়া সমালোচনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category